<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	xmlns:georss="http://www.georss.org/georss" xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	>

<channel>
	<title>দিগন্তের পথে</title>
	<atom:link href="http://diganta.wordpress.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://diganta.wordpress.com</link>
	<description>Just another WordPress.com weblog</description>
	<lastBuildDate>Mon, 17 Mar 2008 20:06:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.com/</generator>
<cloud domain='diganta.wordpress.com' port='80' path='/?rsscloud=notify' registerProcedure='' protocol='http-post' />
<image>
		<url>http://s2.wp.com/i/buttonw-com.png</url>
		<title>দিগন্তের পথে</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com</link>
	</image>
	<atom:link rel="search" type="application/opensearchdescription+xml" href="http://diganta.wordpress.com/osd.xml" title="দিগন্তের পথে" />
	<atom:link rel='hub' href='http://diganta.wordpress.com/?pushpress=hub'/>
		<item>
		<title>আইন্সটাইনের ধর্মচিন্তা</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 17 Mar 2008 20:01:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন্সটাইন]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নাস্তিকতা]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[মানুষের আধ্ম্যাত্বিকতার ইতিহাস জানতে গেলে মনে রাখতে হবে যে আমরা মুলত আমাদের প্রয়োজনের বশেই কাজ করে এসেছি। আমাদের অগ্রগতির পেছনে দুটি মূল চালিকাশক্তি ছিল আমাদের অনুভূতি আর আকাঙ্খা। কিন্তু কোন অনুভূতি আর আকাঙ্খা মানুষকে ধর্মচিন্তার দিকে নিয়ে গেল? একটু চিন্তা করলেই বোঝা সম্ভব, যে আদিম মানুষের ভয়ই এই প্রাথমিক ধর্মচিন্তার মূলে &#8211; এই ভয় কখনও [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=37&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;">মানুষের আধ্ম্যাত্বিকতার ইতিহাস জানতে গেলে মনে রাখতে হবে যে আমরা মুলত আমাদের প্রয়োজনের বশেই কাজ করে এসেছি। আমাদের অগ্রগতির পেছনে দুটি মূল চালিকাশক্তি ছিল আমাদের অনুভূতি আর আকাঙ্খা। কিন্তু কোন অনুভূতি আর আকাঙ্খা মানুষকে ধর্মচিন্তার দিকে নিয়ে গেল</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">? <span>একটু চিন্তা করলেই বোঝা সম্ভব</span>, <span>যে আদিম মানুষের ভয়ই এই প্রাথমিক ধর্মচিন্তার মূলে &#8211; এই ভয় কখনও ক্ষুধার ভয়</span>, <span>কখনও আগ্রাসী জন্তুর ভয় আবার কখনও প্রকৃতির তাণ্ডবের ভয়। দুর্বল মানবচিত্তে এইসব কার্যকারণের পারস্পরিক কাকতালীয় যোগসূত্রের মাধ্যমে এক কাল্পনিক চরিত্রের উদ্ভব হয় &#8211; যার ইচ্ছা ও চিন্তার ওপরেই ভীতিকর এইসব ঘটনা পরিচালিত হয়। আর এই কাল্পনিক চরিত্রের বা চরিত্রগুলোর করুণা বা কৃপালাভের উদ্দেশ্যে সৃষ্ট অসংখ্য যাগযজ্ঞ ও আচার-বিচার যুগ-যুগ ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হস্তান্তরিত হতে হতে মূল ধর্মের আকার ধারণ করেছে। আমি এই ভীতিসর্বস্ব ধর্মের কথাই বলছি। এই ধর্মের উপজাত হিসাবে তৈরী হয়েছে এক পুরোহিত-শ্রেণী</span>, <span>যারা সাধারণ মানুষের সাথে এই কাল্পনিক ভীতিকর চরিত্রটির মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেন। এই পুরোহিত শ্রেণী নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে শাসকশ্রেণীর সাথে আঁতাত গড়ে নিজ-নিজ স্বার্থসিদ্ধি করে গেছে। </span></span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"><span></span></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">ধর্মের উদ্ভবের পেছনে সামাজিক কারণও কম ছিল না। পরামর্শ</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">, <span>ভালবাসা আর সান্ত্বনা পাবার আশায়ও মানুষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী হয়েছে। এই ঈশ্বর আবার এক পরম-জ্ঞানী নীতিনিষ্ট ঈশ্বর</span>, <span>যিনি বিচার করেন &#8211; শাস্তি ও পুরস্কার দেন। ইনিই মৃতের আত্মাকে সংরক্ষণ করেন</span>, <span>বিশ্বাসীকে পদে পদে সাহায্য করেন</span>, <span>মানবজাতিকে পথ দেখান। এই ঈশ্বর এক নীতিনিষ্ট বিবেকবান ঈশ্বর। </span></span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"><span></span></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">ঈহুদীধর্মে এই ভীতিকর ধর্ম আর নৈতিকতা বা বিবেকের ধর্ম &#8211; এক থেকে অন্যে উত্তরণের কিছু কিছু নিদর্শন পাওয়া যায় &#8211; ওল্ড থেকে নিউ টেস্টামেন্টে। শুধু ঈহুদী ধর্মে নয়</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">, <span>যা কোনো ধর্মেই আদপে এই দুই শ্রেণীর বিশ্বাসের মিশ্রণ পাওয়া যায়। আর ভয়ের ধর্ম থেকে বিবেকের ধর্মে উত্তরণই মানুষের জীবনে একটা বড় পদক্ষেপ। </span></span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"><span></span></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">তবে এই দুই প্রকার ঈশ্বর-বিশ্বাসের মধ্যে একটি ব্যাপার লক্ষ্য করা যায় &#8211; ঈশ্বরের মধ্যে মানবিক গুণাবলী আরোপের প্রচেষ্টা। কিন্তু আমার বিশ্বাস তৃতীয় আরেক ধরণের ধর্মবিশ্বাস আছে যাতে ঈশ্বরের মানবীকরণ করা হয় নি। এই ধরণের মহাজাগতিক ধর্ম কাউকে ব্যাখ্যা করে বোঝানো কষ্টকর। </span><span style="color:#303030;font-family:BNG;"></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">নিজের আকাঙ্খা বা বাসনার তুচ্ছতা অনুভব করতে শিখে আর বিশ্বব্রম্ভাণ্ডের বিশালতা আর শৃঙ্খলাবদ্ধতায় বিমোহিত হয়ে মানুষ সমগ্র মহাবিশ্বের অভিজ্ঞতা নিজের ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করতে চায়। স্কোপেনহাওয়ার লেখা থেকে জানা যায় যে বৌদ্ধধর্মে এই ধরনের মহাজাগতিক একাত্মতার কথা বলা আছে। সর্বকালের সেরা ধর্মগুরুরা কিন্তু এই ধরণের ব্যক্তি-ঈশ্বর-বিহীন ও নিয়মকানুন-বিহীন মহাজাগতিক ধর্মের প্রচারই করে গেছেন। তাদের কেউ কেউ সমসাময়িকদের মধ্যে সাধুসন্ত হিসাবে আখ্যায়িত হয়েছেন আর নাহলে নাস্তিক বলে পরিগণিত হয়েছেন। এদের মধ্যে যেমন আছেন </span><a target="_blank" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gautama_Buddha"><span style="font-family:BNG;">গৌতম বুদ্ধ</span></a><span style="color:#303030;font-family:BNG;">, <span>তেমনই আছেন </span></span><a target="_blank" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Democritus"><span style="font-family:BNG;">ডেমোক্রিটাস</span></a><span style="color:#303030;font-family:BNG;">, </span><a target="_blank" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Baruch_Spinoza"><span style="font-family:BNG;">স্পিনোজা</span></a><span style="color:#303030;font-family:BNG;"> <span>আর </span></span><a target="_blank" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Francis_of_Assisi"><span style="font-family:BNG;">ফ্রান্সিস অব আসিসি</span></a><span style="color:#303030;font-family:BNG;">।</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;"> </span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;"></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">কিন্তু কি ভাবে এই মহাজাগতিক ধর্ম মানুষের মধ্যে প্রচার লাভ করতে পারে</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">? <span>এর মধ্যে তো কোনো ঈশ্বরবিশ্বাসে বালাই নেই</span>, <span>নেই কোনো নিয়মকানুন</span>, <span>আচার-আড়ম্বর। আমার ধারণা বিজ্ঞান আর চারুকলাই পারে একে মানুষের কাছে পৌছে দিতে।</span></span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"><span></span></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">এইভাবে দেখা যাচ্ছে</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">, <span>ধর্ম আর বিজ্ঞানের আলোচনা এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে মনে হবে এরা যেন একে অপরের প্রতিদ্বন্দী। আর মনে হওয়াই স্বাভাবিক। যে ব্যক্তি কার্যকারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা আর আস্থা রাখে</span>, <span>যে ওই কার্যকারণের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখে সে কিছুতেই তার মধ্যে এক কাল্পনিক চরিত্রের অদৃশ্য হস্তক্ষেপের গল্প মেনে নিতে পারে না। এই ব্যক্তির কাছে কোনো ঈশ্বরের শাস্তি দেওয়া আর পুরস্কারের ধারণা পুরো গল্পকথার মত লাগবে। কারণ সে জানে সব মানুষই বাহ্যিক বা আন্তরিক প্রয়োজনের বশেই কাজ করে</span>, <span>সে কাজ আপাতদৃষ্টিতে আমাদের কাছে ভাল লাগুক বা না লাগুক। তাই এক পরম-জ্ঞানীর চোখে সে কখনই অপরাধী হতে পারে না। এই মতবাদ প্রসারের মূল ভিত্তি যুক্তি আর বিজ্ঞান</span>, <span>তাই অভিযোগ করা হয় যে বিজ্ঞান নাকি নৈতিকতার শত্রু। এই কারণেই ধর্মপ্রতিষ্ঠান যুগে যুগে বিজ্ঞানের সাথে লড়াইতে নেমেছে &#8211; যাতে তাদের ধর্মের অনুসারীরা তাদের ছেড়ে না চলে যায়। অথচ এই অভিযোগ অত্যন্ত হাস্যকর। মানুষের নৈতিকতার জন্য তো ধর্মের কোনো দরকারই নেই</span>, <span>দরকার মানবিকতা</span>, <span>সহমর্মিতা</span>, <span>শিক্ষা আর সামাজিকতার। মানুষ যদি পরকালের শাস্তির কথা ভেবে নৈতিক হয়</span>, <span>সেই নৈতিকতার মধ্যে মহত্ত্ব কোথায় থাকে</span>?</span></p>
<p><span style="color:#303030;font-family:BNG;"></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">বিজ্ঞানসাধনায় এই বিশ্বজগতের সাথে একাত্মতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। কেপলার বা নিউটন কত যুক্তি চিন্তা আর সাধনার মধ্যে দিয়ে মহাজাগতিক বস্তুর গতিবিধি সম্পর্কে সঠিক সূত্রে পৌঁছেছিলেন &#8211; তা এই মহাজাগতিক ধর্মের প্রভাব ব্যতিরেকে সম্ভব হত কি</span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">? <span>যারা কিছু বিজ্ঞানের সূত্র পড়ে বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে ধারণা করেন যে এরা চারদিকের জগত সম্পর্কে সদা-সন্দিহান</span>, <span>অসামাজিক আর সর্বদা কিছু সূত্র আবিস্কারে মগ্ন থাকেন &#8211; তাদের পক্ষে কোনোভাবেই বোঝা সম্ভব হবে না একজন বিজ্ঞানীর প্রচেষ্টার মর্ম। যারা নিজেরা এরূপ গবেষণায় নিজেরা সময় কাটিয়েছেন তারাই বুঝতে পারবেন যে সত্য উদ্ঘাটনের জন্য আজীবন প্রচেষ্টা চালিয়ে বারবার বিফল হওয়া সত্ত্বেও কি এক অপার্থিব চালিকাশক্তি এই বিজ্ঞানীদের মধ্যে শক্তি সঞ্চার করে গেছে। মহাজাগতিক ধর্মই এই শক্তি প্রদান করে &#8211; সূত্র আবিষ্কারের শক্তি</span>, <span>সত্য উদ্ঘাটনের শক্তি। আমার এক সমকালীন বিজ্ঞানী বলেছেন যে আজকের যুগে যুক্তিনিষ্ঠ বিজ্ঞানীরাই একমাত্র ধার্মিক বলে নিজেকে দাবী করতে পারেন &#8211; আমার তো মনে হয় উনি ঠিকই বলেছেন। </span></span><span style="color:#303030;font-family:BNG;">[<span>লেখাটা আইন্সটাইনের ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে লেখা হাতে গোনা </span></span><a target="_blank" href="http://www.sacred-texts.com/aor/einstein/einsci.htm"><span style="font-family:BNG;"><font color="#800080">কয়েকটি লেখার</font></span></a><span style="color:#303030;font-family:BNG;"> <span>মধ্যে একটি থেকে অনূদিত। লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৩০ সালের ৯ই নভেম্বর</span>, <span>নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিনে। আইডিয়াস অ্যান্ড ওপিনিয়ন্স আর দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাস আই সি ইট - এই দুটো বইতেও এই লেখাটা পরে প্রকাশিত হয়েছে।</span>]</span></p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/37/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/37/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/37/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/37/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=37&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>নতুন দেশে এসে</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 17 Mar 2008 20:00:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বিদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মাইক্রোসফট]]></category>
		<category><![CDATA[সিয়াটেল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87/</guid>
		<description><![CDATA[গত সপ্তাহেই আমেরিকায় এসে পৌঁছে গেছি। ব্যাপারটা হল ইন্টারনাল ট্রান্সফার নিয়ে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্ত – আপাতত এটাই। আমাদের কোম্পানীর নিয়মমত দুবছর কোম্পানীতে থাকলে সেখান থেকে যেকোনো প্রান্তে কাজ করতে যেতে পারে। আর তার জন্য দায়িত্ব সবই কোম্পানীর। তা এরকমই ঝোঁকের বশে চলেই এলাম। আপাতত একাই এসেছি, বৌ পড়ে আছে হায়দ্রাবাদে। তবে কোম্পানী আমার স্থানান্তরনের [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=36&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">গত সপ্তাহেই আমেরিকায় এসে পৌঁছে গেছি। ব্যাপারটা হল ইন্টারনাল ট্রান্সফার নিয়ে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্ত – আপাতত এটাই। আমাদের কোম্পানীর নিয়মমত দুবছর কোম্পানীতে থাকলে সেখান থেকে যেকোনো প্রান্তে কাজ করতে যেতে পারে। আর তার জন্য দায়িত্ব সবই কোম্পানীর। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">তা এরকমই ঝোঁকের বশে চলেই এলাম। আপাতত একাই এসেছি, বৌ পড়ে আছে হায়দ্রাবাদে। তবে কোম্পানী আমার স্থানান্তরনের জন্য অনেক সুবিধা দিচ্ছে। প্রথমত আমার ভিসার, বিমানে আসার ও আমার মালপত্র আনার খরচা (এমনকি আসবাবপত্র) দিচ্ছে। তারপরে, প্রথম দুমাস থাকার জায়গা, এক মাস গাড়ি</span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">। </span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">গাড়ি চালানো আমাকে আর আমার বৌকে শেখানোও কোম্পানীর দায়িত্ব। আর আমাকে সবসময় সাহায্য করার জন্য লোকও আছে কোম্পানীতে। আর বন্ধুবান্ধবের সংখ্যাও নেহাত কম কিছু নয়।</span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">তাও চলে এসে কেমন একটা একা একা লাগছে। একটা বড় দুই বেডরুমের ঘর পেয়েছি, যাতে একা থাকাটা দুঃসহ মনে হয়। আশেপাশে লোকজনও বিশেষ একটা নেই। ঠান্ডা প্রচন্ড &#8230; একটা বড় জোব্বামত জ্যাকেট পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। পায়ে জুতো পরার অভ্যাস আমার কোনোকালেই ছিল না, কিন্তু জুতো না পরলেই জমে যাবো। তাই উপায় নেই। এর ওপর আমি গাড়ি চালাতেও জানি না। এখানে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আছে ভালই কিন্তু আমাদের অফিসের দিকে কিছু নেই। এখনো মোবাইল আর বাস-পাস পেয়ে উঠিনি। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';">SSN</span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;"> টা না পেলে ক্রেডিট কার্ডও আসবে না – তাই একটা কিছুও কিনতে পারছি না। বাড়িতে ফিরে কাজ কিছু থাকে না, বসে বসে ডিসকভারি চ্যানেল দেখতে হয়।</span></p>
<p><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;"></span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">এরই মধ্যে একটু আধটু করে আমেরিকা চিনছি। পাশাপাশি দুটো দোকান – মানে রিটেল শপ আরকি। দুটোতে দুরকম দাম। আমি প্রথমে আধঘন্টা সার্ভে চালিয়ে তারপরে কিছু কাঁচা সব্জী কিনেই ফেললাম। একটা ইন্ডিয়ান দোকানে গিয়েছিলাম – তা আমার চেনা জিনিসপত্রই কি দামী লাগছে। গড়ে সব জিনিসের দামই অনেকগুণ। আর আমার ওই দামটাকে চল্লিশ দিয়ে গুণ করার বদভ্যাস না যাওয়া অবধি আমাকে মনে হয় মনকে অর্ধভুক্ত করেই রাখতে হবে। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">একটা জিনিস সস্তা এখানে – সেটা হল দুধ। সুতরাং দুবেলা অনেকটা করে দুধ খাচ্ছি। অনেকটা ভিখারীদের মত মানসিক অবস্থা – দাম কম পরিমাণে বেশী যে কোনো কিছুই কিনে ফেলছি। এই যেমন কালও জল কিনতে গিয়ে শেষে কোল্ড-ড্রিঙ্কস কিনেই ফিরলাম। অফিসে খাবারের দাম বেশ বেশী – তাই বাড়িতে বেশী বেশী করে খেয়ে আসছি। আর অফিসে এসে হ্যামবার্গার খাচ্ছি। এই তো চলছে।</span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">মজার ব্যাপার হল এখানে মাসে দুবার মাইনে হয়। এটার জন্য আশা করছি আমি পরের সপ্তাহ থেকে কিছুটা স্বস্তিতে থাকব। কিছু না হোক, পকেটে টাকাকড়ি তো থাকবে। এখন তো দেশ থেকে আনা ডলারে চালাতে হচ্ছে। </span></p>
<p><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">ওদিকে ডলারের দাম বাড়ছে, আমি আসার সময় ৩৯ টাকার কম ছিল, এখন আবার ৪০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এটা বেশ স্বস্তির খবর। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">এরপরে শুরু হবে বাড়ি খোঁজা, তারপরে গাড়ি কেনা। সব কিছুই কেমন একটা সুতোয় গেঁথে করে ফেলতে হচ্ছে, কোনোটা বাদ ফেলার কোনো সম্ভাবনাই নেই। অগত্যা &#8230; চলছে। </span></p>
<p><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">আবার কবে দেশে ফিরব সেটাও ঠিক নেই কিছু – কিন্তু ফিরতে তো হবেই। তাই সে দিকেও একটু আধটু নজর রাখতে হচ্ছে। এখন ছটা বাইশ বেজে গেছে, এতক্ষণে এখানে লোকজনে ফাঁকা হয়ে যায় – লোকে এখানে সকাল ৮টায় এসে ৫টায় বেরিয়ে যায়। এরই মাঝে ৯ই মার্চ এখানে ডে-লাইট সেভিং চালু হওয়ায় ১ ঘন্টা সময় এগিয়ে দিতে হল। তার পর থেকে আমার শারীরবৃত্তীয় ঘড়ি আমাকে ৯টার আগে অফিসে ঢুকতে দেয় না। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">আবহাওয়া ভাল যেদিন রোদ ওঠে। তবে অর্ধেক দিনেই বৃষ্টিই হয়ে চলে। রোদ উঠলে এখানে থেকে দূরের পাহাড় দেখা যায় – ভিউটা খুব সুন্দর (ক্যামেরা না থাকায় ছবি দিতে পারলাম না)। রাস্তাঘাট ঝকঝকে তকতকে – যেমনটা হওয়া উচিত আরকি। কিন্তু ট্রাফিকের ভয়ে নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে আমাকে অন্তত আধ মাইল ঘুরে আসতে হয়। মাইলের কথায় বলা ভাল – এখানে সবই মাইল, গ্যালন আর ফারেনহাইট। মনে মনে কনভার্সন না করে শান্তি হয় না, মাইলটা নাহয় দু কিলোমিটার ধরে নিই, কিন্তু ফারেনহাইট স্কেলটা খুবই গোলমেলে। আর গ্যালনের জ্বালা তো এখনো সহ্য করতে হচ্ছে না। আমার একটা বন্ধু নতুন হন্ডা সিভিক কিনেছে – সেদিন বলে ২৫ দিচ্ছে মাইলেজ। তা ভাল, আমি মনে মনে হিসাব করতে বসলাম ২৫ মাইল প্রতি গ্যালন হলে সেটা কত কিলোমিটার প্রতি লিটার হবে। এক গ্যালন আবার ৩</span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';">.</span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">৭৮ লিটার। বুঝে দেখুন হিসাবটা কত গোলমেলে। </span></p>
<p><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;"></span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">এর মাঝে একদিন মেল পেলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কিছু অনুষ্ঠান হবে – যাব বলে মেলও করলাম – এখনো কোনো উত্তর নেই। দেখা যাক, যেতে পারলে আমি এটার একটা আপডেট দেব। </span><span style="line-height:115%;font-family:'Vrinda','serif';"></span><span style="font-size:14pt;line-height:115%;font-family:BNG;">তা এভাবেই চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক এখানে আরো কতদিন চালিয়ে দেওয়া যায়। আর না পারলে তো দেশে ফেরার পথ খোলাই আছে। লড়াই হল বেঁচে থাকার আরেক নাম &#8230; </span></p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/36/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/36/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/36/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/36/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=36&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/03/17/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>লাখ টাকার স্বপ্ন</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:26:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8/</guid>
		<description><![CDATA[কালকে টিভিতে বসে দেখলাম দিল্লীর প্রগতি ময়দানে টাটার এক-লাখি গাড়ির উদ্বোধন। সত্যি কথা বলতে, গাড়িটা আমাকে একরকম চমকেই দিয়েছে। আমি ভেবেছিলাম একটা পলকা দুই সিট-ওয়ালা একটা মাথা গোঁজার গাড়ি। তার জায়গায় টাটা আমাকে যা দেখালো, তা হল রীতিমত একটা গাড়ি। কালকেই বাবা-মায়ের সাথে কথা হল &#8211; গাড়ি কিনছিই। আর কিছু না হোক হুজুগ তো বটে।রতন [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=35&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><u><font color="#0000ff"><br />
</font></u></p>
<div class="content clearfix"><u><font color="#0000ff"></font></u><u><font color="#0000ff"><img align="left" width="200" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/Tata%20Nano%20and%20Ratan.jpg" style="margin-right:16px;" class="bb-image" /></font></u>কালকে টিভিতে বসে দেখলাম দিল্লীর প্রগতি ময়দানে টাটার এক-লাখি গাড়ির উদ্বোধন। সত্যি কথা বলতে, গাড়িটা আমাকে একরকম চমকেই দিয়েছে। আমি ভেবেছিলাম একটা পলকা দুই সিট-ওয়ালা একটা মাথা গোঁজার গাড়ি। তার জায়গায় টাটা আমাকে যা দেখালো, তা হল রীতিমত একটা গাড়ি। কালকেই বাবা-মায়ের সাথে কথা হল &#8211; গাড়ি কিনছিই। আর কিছু না হোক হুজুগ তো বটে।রতন টাটার কথামত একে “লাখ টাকার স্বপ্ন” বললে কমই বলা হয়। মধ্যবিত্তের চাহিদা আর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এত কম দামে গাড়ি ভারতের বাজারে আগে আসেনি। তাই কালকে টাটা ন্যানো বা টাটার এক-লাখি গাড়ি বাজারে আসতেই বাজার সরগরম। নতুন বছরে এই চমকের ফলে নড়ে বসেছে মধ্যবিত্ত, গাড়ি বিক্রেতা থেকে শুরু করে শেয়ার ব্রোকারেরাও। গাড়ির নাম ন্যানো কারণ গাড়ি বাজারে এটাই সবথেকে ছোট আকারে, আর গাড়িতে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক ন্যানো-টেকনলজি।</p>
<p>টাটা সন্সের প্রধান রতন টাটা <a target="_blank" href="http://timesofindia.indiatimes.com/Im_in_a_lonely_phase_of_my_life_Ratan_Tata/articleshow/2690777.cms" class="bb-url">সাক্ষাতকারে</a> বলছেন এটাই তার “একলা চলো রে” নীতির ফসল। উনি আগে এশিয়ানদের জন্য স্কুটারের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে “জনগণের গাড়ি”(Peoples&#8217; car) প্রস্তাব দিয়েছিলেন গাড়ি-নির্মাতাদের সম্মেলনে &#8211; যা ব্যবহৃত হতে পারে ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া বা চীনে। তখন কেউ সাড়া দেয়নি, হয়ত বা অবাস্তব বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। তারপরে গত চার বছরে পাঁচশ জনের গবেষকদল এই গাড়ি বানিয়েছেন। পথ মসৃণ ছিল না, একদিকে ছিল দামের বাধা, আরেকদিকে গুণগত মান সুনিশ্চিত করার ইচ্ছা। আপাতদৃষ্টিতে, উনি সফল। সময় কিছুটা বেশী লাগলেও &#8211; সব টপকে এখন টাটা আবার সামনের সারিতে।</p>
<p>কতটা ভাল এই গাড়ি? সাধারণভাবে বললে মোটেও ভাল না। কিন্তু এই দামের কথা ভাবা হলে তা পুষিয়ে যায়। <a target="_blank" href="http://network.staging.nationalpost.com/np/blogs/posted/0110tata614.jpg" class="bb-url">ডিজাইনের</a> কথায় আসা যাক। গাড়ির বডি হবে অ্যালুমিনিয়াম আর প্লাস্টিকের। পাওয়ার স্টিয়ারিং থাকবে না। থাকবে না নিরাপত্তার জন্য এয়ার কন্ডিশনার, এয়ার ব্যাগ বা সেফটি বিম। গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ ধরা হচ্ছে ১০৫ কিমি প্রতি ঘন্টা, যদিও আদর্শ গতিবেগ বলা হয়েছে ৭০ কিমি/ঘন্টা। ভারতের শহুরে রাস্তার জন্য এই গতিবেগ আদর্শ। ৬২৩ সিসির ইঞ্জিন তৈরী হবে জার্মান কোম্পানী বস (Bosch) এর কারখানায়। প্রতি লিটার তেলে ২০-২৫ কিমি গাড়ি চলবে।</p>
<p>এই গাড়ি ব্যবসা করবে কি ভাবে? সাধারণ হিসাবে টাটার বাজার আসবে মূলত মারুতি আর মোটরবাইকের বাজার থেকেই। প্রতি বছর দেশে প্রায় ১৫ লাখ মারুতি অল্টো আর মারুতি ৮০০ বিক্রি হয়। প্রাথমিক <a target="_blank" href="http://www.moneycontrol.com/india/news/market-outlook/102-wheeler-mkt-may-shift-to-tata-nano-anand-rathi/16/16/320736" class="bb-url">সমীক্ষায়</a> বলা হচ্ছে, মোটরসাইকেল বাজারের ১০% লোকে এবার টাটার গাড়ি কিনবে। মূলত তিনটি মডেল বাজারে আনছে টাটা। প্রথমটি টাটার বেসিক মডেল, যার দাম হবে ১ লাখ টাকা &#8211; ট্যাক্স আর পরিবহন মিলে রাস্তায় নামাতে আরো তিরিশ হাজার। এ ছাড়াও থাকছে আরো দুটি একই রকম দেখতে ডিলাক্স মডেল। <img align="left" width="200" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/TataNano2.jpg" style="margin-right:16px;" class="bb-image" />সেগুলোতে থাকছে বাকি নিরাপত্তা সম্পর্কিত সুবিধা গুলো আর সাথে এয়ার কন্ডিশনার। রতন টাটার বক্তব্যমতে, টাটার বেসিক মডেল থেকে নগণ্য লাভ হবে, যা পুষিয়ে যাবে ডিলাক্স গাড়ির বিক্রি থেকে। টাটার এই গাড়ির উতপাদন মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র ৬৫,০০০ টাকা। বিক্রির বাজার ধরা হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়াও পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, ব্রাজিল সহ লাতিন আমেরিকা আর আফ্রিকা। টাটার প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা বছরে আড়াই লাখ গাড়ি বেচা।</p>
<p>এসব সত্ত্বেও সমালোচনা পিছু ছাড়ে নি টাটা ন্যানোর। ইংল্যান্ডের টাইমস অনলাইন গাড়িটার <a target="_blank" href="http://driving.timesonline.co.uk/tol/life_and_style/driving/news/article3168303.ece" class="bb-url">সমালোচনা </a>করে লিখেছে যে দাম কমাতে টাটা গাড়ির নিরাপত্তাও কমিয়ে দিয়েছে। রতন টাটা অবশ্য বলেছেন যে ব্রিটিশ বাজারের জন্য তার গাড়ি নয় &#8211; তাই ব্রিটিশ সেফটি স্ট্যান্ডার্ডের কথা উনি ভাবেন নি। ভারতেও পরিবেশবিদেরা আগে থেকেই সতর্ক করে দিচ্ছেন যে এর ফলে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যেতে পারে। ফলে বাড়তে পারে পরিবেশ দূষণ আর সাথে ট্র্যাফিক জ্যাম। ভর্তুকি দেওয়া পেট্রোলের চাহিদা বাড়ার কারণে লোকসান করবে তেল আমদানীকারক সংস্থাগুলোও। আর আছে রাস্তায় ঝুঁকি &#8211; বাড়বে দুর্ঘটনা। টাটার এই গাড়ি যে কারখানায় তৈরী হবার কথা, সেই সিঙ্গুরের গণ্ডোগোল তো আগেই সমস্যা বাধিয়েছে। অনেক মানুষকে নিজের জায়গা থেকে তুলে দিয়ে শুরু হয়েছে কারখানা।</p>
<p>কালকেই টাটার প্রতিদ্বন্দী সংস্থা বাজাজ (এরা অটো বিক্রেতা হিসাবে খ্যাত) <a target="_blank" href="http://timesofindia.indiatimes.com/Business/India_Business/After_Tata_Bajaj_joins_the_minicar_race/articleshow/2684525.cms" class="bb-url">ঘোষণা </a>করেছেন তারা বাজারে ২০১০ এর মধ্যে ১,২০,০০০ টাকার গাড়ি আনবেন &#8211; যার নাম হবে &#8220;হামারা&#8221;। এর জন্য তারা হাত মিলিয়েছেন বিশ্বখ্যাত সংস্থা রেনল্ট ও নিশান-এর সাথে।</p>
<p>কিছুকাল আগে <a target="_blank" href="http://timesofindia.indiatimes.com/Business/India_Business/Sitara_Paks_car_which_beat_India/articleshow/2691073.cms" class="bb-url">দেখলাম</a> পাকিস্তানও নিজস্ব এক লাখ টাকার গাড়ি বানিয়েছে &#8211; হাবিব মোটরসের এই গাড়িটির বর্তমান দাম ১,৫৯,০০০ পাকিস্তানি রুপি। <img align="left" width="200" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/Sitara.jpg" style="margin-right:16px;" class="bb-image" />সিতারা নামের এই গাড়ি পাকিস্তানের রাস্তায় খুব একটা চলেনি। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের রাস্তায় ট্যাক্সি হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি দেবার পরে মনে করা হচ্ছে এর বাজার বাড়বে। বাংলাদেশের গাড়ি প্রথম কবে দেখতে পাবো?</p>
<p>তবে একটা ব্যাপার খুবই ঠিক, যে আজ থেকে ত্রিশ-চল্লিশ বছর আগে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে স্বনির্ভরতার জন্য মারুতির হাত ধরে যে উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, আজকের টাটা ন্যানো তারই ফসল। মারুতি প্রথমদিকে অত্যন্ত খারাপ গাড়ি বানাতো, সেই গাড়ির বাজার সুনিশ্চিত করতে সরকার উচ্চহারে শুল্ক বসিয়েছিল বিদেশী গাড়ি আমদানির ওপর। একটা সময় ছিল যখন ১০ লাখ টাকা দামের গাড়ি আমদানী করতে কর দিতে হত ৩০ লাখ টাকা, এখন কিছুটা কমলেও বিশেষ কিছু কমে নি। ভারতে এখনো যে দামী বিদেশী গাড়ি দেখা যায় তাও মূলত দেশে অ্যাসেম্বল্ড &#8211; মার্সিডিস থেকে লোগান। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে তৈরী হয়েছে অনেক দক্ষ শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার আর ব্র্যান্ড। আর দেশীয় গাড়ি নির্মাতার উতসাহ পেয়ে দেশে কম দামে গাড়ি তৈরীর চেষ্টা করে গেছে। গাড়ির মান প্রথমে অনেক খারাপ ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে উন্নতিও হয়েছে। টাটা ন্যানোর ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা এসেছে এই মারুতি থেকে সরিয়ে আনা ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরেই।</p>
<p>আমি নিজে অবশ্য ধীরে চল নীতি নিচ্ছি। আগেরবারে টাটার ইন্ডিকা গাড়িতে প্রথম এডিশনে চাকায় ভুলত্রুটি ছিল। পরের এডিশনে অবশ্য তা শুধরে নিয়েছে। এবারেও একই ঘটনা ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? গাড়ি কিনলে হাইপের স্টেজটা কেটে গেলে তারপরেই কেনা ভাল।</p>
<p>বছরের শেষে এই গাড়ি বাজারে আসবে। কিন্তু বছরের শুরুতেই সেরকম হাইপ তৈরী হয়েছে যে টাটা এখন খুব সংকটে। যদি বছরের শেষে গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারে? তাহলে টাটার নাম বা ব্র্যান্ড কিছুদিনের জন্য একটা বড় ধাক্কা খেতে চলেছে। আর উল্টোদিকে সফল হলে সবটাই ইতিহাস হয়ে যাবে।</p>
<p><a target="_blank" href="http://www.youtube.com/watch?v=fX64M_1qN0s" class="bb-url">টাটার গাড়ির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান (ইউটিউব ভিডিও)</a><br />
<a target="_blank" href="http://www.thehindubusinessline.com/2008/01/11/stories/2008011152730200.htm" class="bb-url">একনজরে টাটা ন্যানো ১</a><br />
<a target="_blank" href="http://www.thehindubusinessline.com/2008/01/11/stories/2008011152730200.htm" class="bb-url">একনজরে টাটা ন্যানো ২</a><br />
<a target="_blank" href="http://in.reuters.com/article/businessNews/idINIndia-31335720080110" class="bb-url">একনজরে টাটা ন্যানো ৩</a></div>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/35/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/35/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/35/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/35/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=35&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.sachalayatan.com/files/images/Tata%20Nano%20and%20Ratan.jpg" medium="image" />

		<media:content url="http://www.sachalayatan.com/files/images/TataNano2.jpg" medium="image" />

		<media:content url="http://www.sachalayatan.com/files/images/Sitara.jpg" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>আমার অরকুটপ্রীতি নিয়ে</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:25:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যক্তিগত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/</guid>
		<description><![CDATA[সচলায়তনে অরকুটের কমিউনিটি ভোটের মত ভোটের ব্যবস্থার অভাব আমি খুব অনুভব করি। অবশ্য সেক্ষেত্রেও অনেকেই ভোটে বিরত থেকে ভোট বিফল করে দিতে পারেন, তাও। এমনকি খবরের কাগজগুলোর মত রোজকার বা এমনকি সাপ্তাহিক ভোটের ব্যবস্থা থাকলে আরো ভাল হত। আর ভোটের সাথে সাথে মন্তব্য করার ব্যবস্থা থাকলে তো সোনায় সোহাগা। ব্লগ তখন আর ব্লগ না থেকে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=34&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সচলায়তনে অরকুটের কমিউনিটি ভোটের মত ভোটের ব্যবস্থার অভাব আমি খুব অনুভব করি। অবশ্য সেক্ষেত্রেও অনেকেই ভোটে বিরত থেকে ভোট বিফল করে দিতে পারেন, তাও। এমনকি খবরের কাগজগুলোর মত রোজকার বা এমনকি সাপ্তাহিক ভোটের ব্যবস্থা থাকলে আরো ভাল হত। আর ভোটের সাথে সাথে মন্তব্য করার ব্যবস্থা থাকলে তো সোনায় সোহাগা। ব্লগ তখন আর ব্লগ না থেকে পুরোদস্তুর সামাজিক মায়াজালে পরিণত হত।</p>
<p>যাহোক, অরকুট নিয়ে কথা শুরু করেছিলাম অরকুটেই ফিরে যাই। অরকুট করা শুরু করি আমি বছর দুয়েক আগে। সোসাল নেটওয়ার্কিং বলে বস্তুটা যে কি, তা বিশেষ একটা টের পাইনি তখনো। যাহোক, অরকুটের দৌলতে প্রথম দিকে আমি কলেজের পরিচিত, আর অল্প-পরিচিতদের সাথে পরিচিতিটা ঝালিয়ে নেবার জন্যই ব্যবহার করতাম। পরিচিতি শুধু বললে ভুল হবে, পরিচিতির সাথে সাথে কে কি করছে, কোথায় আছে – কেমন আছে, সবই টের পাওয়া যেত। বুঝলাম, ইন্টারনেট মানুষকে কাছে এনে দেবার যে উদ্যোগ নিয়েছে, সোসাল নেটওয়ার্কিং হল তার একটা অঙ্গ।</p>
<p>দিন গেছে, আমার অরকুটপ্রীতি বেড়েছে বই কমে নি কিছু। এখন মাঝে মাঝে লোকজনের স্ক্র্যাপ ঘেঁটে দেখি কে কি করছে। কি করছের মধ্যে অনেক কিছু আছে। কেউ চাকরি পরিবর্তন করলে সে খবর আসে অরকুট মারফত। কারো প্রেম ফাঁকি দিয়ে গেছে – অরকুট থেকেই বোঝা যাচ্ছে – কারণ বন্ধুতালিকায় প্রেমিকার অনুপস্থিতি। এমনকি, অ্যালবাম থেকে দেখা গেল, পুরোনো প্রেমিকার সাথে বিচ্ছেদের পরে আবার জোড়া লেগে বিয়ে – এ ঘটনাও অরকুটেই দেখলাম। লোকজনের সাথে আর যেচে আড্ডা মেরে জানতে হয় না কেমন আছে, অরকুটের পাতায় চোখ লাগলেই হয়। সবাই সবার অ্যালবাম দেখতে পায় আর স্ক্র্যাপ পড়তে পারে বলে পরনিন্দা-পরচর্চার একটা ভাল উতস হয়ে গেছে এটা। কয়েকজন বন্ধু মিলে বসলে দিব্যি কয়েকঘন্টা কেটে যাবে এর পেছনে।</p>
<p>আমার এই সামাজিক মায়াজালের সবথেকে বড় লাভ হল আমার ছোট্টবেলার স্কুলের বন্ধুদের সাথে আবার যোগাযোগ। সেটা ১৯৮৯ সালের কথা। আমি ক্লাস ফোর পাস করে কল্যাণী ছেড়ে চলে এলাম বর্ধমানে। তারপরে আর তাদের সাথে যোগাযোগ নেই। অরকুট পেতেই, আমার স্কুলের নাম দিয়ে কমিউনিটি দেখে তাতে যোগদান করেছি, কিছুদিন পরে দেখলাম তাতে সুদীপ বরণ দে বলে একটা ছেলে যোগ দিল। আমি মনে করলাম সেই আমার ছোটবেলার প্রিয় বন্ধু সুমিতের ভাই নয় তো? নামটা তো একই রকম &#8211; সুমিত বরণ দে আর সুদীপ বরণ দে। সটাসট স্ক্র্যাপ আর তার উত্তরও আসে জলদি। আমিই ঠিক, সুদীপ সুমিত বরণের ভাই। সেই সুমিত আর আমার মধ্যে বন্ধুত্বও ছিল যেমন তেমন ছিল ক্লাসে প্রতিযোগিতাও। তার সাথে ১৮ বছর পরে সাথে ফোনে যোগাযোগ। সে এখন কবি হয়ে গেছে, পুরোদস্তুর সাহিত্যিক। আমার সাথে এতদিন পরে যোগাযোগ পেয়ে সেই স্মৃতিতে একটা কবিতাই লিখে ফেলল। ভাবা যায়!! আমি কোথায় কর্পোরেট জীবনে কম্পিউটার টিপে জীবন চালাচ্ছি, সেই আমার কবি বন্ধু? আরো একে একে আমার বাকি বন্ধুদের সাথেও যোগাযোগ হল। আমার ছোটবেলার খেলার সাথীদের সাথে ভার্চুয়াল দেখা করতে যে কি ভাল লাগল &#8230; ক’দিন আগেই এক বন্ধুর সাথে স্ক্র্যাপালোচনা হল, ১৯৮৬র বিশ্বকাপে আমি কেমন প্লাতিনির সমর্থক ছিলাম আর ও মারাদোনার। শেষ হাসি আমি হাসতে পারিনি বলে আমার কেমন দুঃখ ছিল &#8230; ইত্যাদি।</p>
<p>আমার আরেকটা নিজের চোখে দেখা বিষয় হল প্রোপাগান্ডা। অরকূটে যথেচ্ছভাবে যে যার খুশীমত নিজের মত লিখে চলে আর দাবী করে সে-ই একমাত্র সত্যের পূজারী। সাথে থাকে কিছু সমগোত্রীয় নিউজপেপার রেফারেন্স, যেগুলো কিছু বিশেষ মতের লোকজন ছাড়া কেউ পড়েই না। প্রোপাগান্ডার মধ্যে ধর্মই দেখি প্রাধান্য পায় – একবিংশ শতাব্দীতে এসেও এরকম ধর্মকেন্দ্রিক ধারণা দেখে আমি যারপরনাই বিস্মিত। আর বুঝলাম মানুষের এখনো শিক্ষিত হতে আরো অনেক দেরি আছে – প্রোপাগান্ডা মোটামুটি সবাইকে কিছু না কিছু প্রভাবিত করে, এত নিউজ-সোর্স থাকা সত্ত্বেও। অনেক কাল ভারত-পাকিস্তান বন্ধুত্ব কমিউনিটির সদস্য হিসাবে বুঝেছিলাম যে কেউ কারোর মতাদর্শ থেকে একচুলও সরতে রাজী নয় – বন্ধুত্ব আসবে কি ভাবে? সবাই তো শত্রুতার ইতিহাস আলোচনাতেই ব্যস্ত।</p>
<p>অরকুটের পরে আসি লিঙ্কড-ইন, হাই-ফাইভ আর ফেসবুকে। প্রথমটা একটা অন্যধরনের লোকজনের জন্য, মানে যারা কর্পোরেট শুধু কর্পোরেটই থাকতে চায় – তাদের জন্য। পরের দুটো অরকুটের সমগোত্রীয়। তার মধ্যে ফেসবুকটাকে আমার খুব একটা পছন্দ হল না, সবকিছুইই বড় জটিল মনে হয়। সাধারণ মানুষ যে কিভাবে ব্যবহার করে এগুলো – বুঝে পেলাম না। এরপরে আমার তো মনে হয় একই জিনিস মোবাইলে চলে আসবে – খুব দ্রুত। এস-এম-এসের মাধ্যমে স্ক্র্যাপিং তো এখনই চলছে &#8230;</p>
<p>আর কি দুনিয়া এগিয়ে চলেছে বনবন করে ঘুরতে ঘুরতে, আর আমরাও তার চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছি। নেট খুলে আজকাল আমি আনন্দবাজারের সম্পাদকীয়, টাইমস অব ইন্ডিয়া আর নিজের ই-মেল চেক করার মত অরকুটের পাতাতেও ঢুঁ দিয়ে যাই – যদি দেখা হয়ে যায় আমার পুরোনো কোনো বন্ধুর সাথে।</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/34/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/34/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/34/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/34/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=34&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>সফটওয়ারের বুদবুদ</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:21:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইন্টারনেট]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যবসা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6/</guid>
		<description><![CDATA[সুবিনয় মুস্তাফীর লেখা পড়ে আমার মনে হল ভারতের অর্থনীতির বর্তমান বুদবুদ সম্পর্কে কিছুটা লিখেই ফেলি। আমার মনে আছে ছোটবেলায় একধরনের অংক করতাম যাতে হিসাব করতে হত বুদবুদের আকার কি হারে বাড়বে। আমাদের এখানের এই সফটওয়ার বুদবুদ আমার সব হিসাব ছাড়িয়ে বড় হয়েই চলেছে, আর আমি এই বুদবুদ ফাটার অপেক্ষায় কান বন্ধ করে অপেক্ষা করছি। আগে [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=33&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সুবিনয় মুস্তাফীর <a target="_blank" href="http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/11463" class="bb-url">লেখা</a> পড়ে আমার মনে হল ভারতের অর্থনীতির বর্তমান বুদবুদ সম্পর্কে কিছুটা লিখেই ফেলি। আমার মনে আছে ছোটবেলায় একধরনের অংক করতাম যাতে হিসাব করতে হত বুদবুদের আকার কি হারে বাড়বে। আমাদের এখানের এই সফটওয়ার বুদবুদ আমার সব হিসাব ছাড়িয়ে বড় হয়েই চলেছে, আর আমি এই বুদবুদ ফাটার অপেক্ষায় কান বন্ধ করে অপেক্ষা করছি।</p>
<p>আগে শুরু করা যাক একটু পুরোনো ফ্ল্যাশব্যাক থেকে। এখানে সফটয়ার শিল্পের শুরু হল একরকম নব্বই দশকে উদার অর্থনীতির হাত ধরে। যদিও, ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশীয় স্বয়ং-সম্পূর্ণতা আনার লক্ষ্যে আই-বি-এম কে তাড়িয়ে দিয়ে একরকম দেশীয় কোম্পানীদের ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। উইপ্রো, টিসিএস আর ইনফোসিসের সূত্রপাত এ সময়েই। তবে আসল কাজ করার সুযোগ আসে ওয়াই-টু-কে সমস্যার হাত ধরে। প্রচুর কাজ একসাথে এসে পড়ায় আমেরিকান কোম্পানিরা খরচা বাঁচাতে কিছু ভারতীয় কোম্পানীকে কনট্রাকটে কাজ আউটসোর্স করে দিতে থাকে। ভারতের বাজারে তখন সেই সামান্য টাকার চাকরি দেবার লোকও ছিল না। ফলে দলে দলে লোকে সফটওয়ার শিল্পে চলে আসে। কাজে সাফল্য পেয়ে অনেক কোম্পানী অন্য কাজও দিতে শুরু করে &#8211; একে একে আসতে থাকে সার্ভার ম্যানাজমেন্ট, ডেটাবেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা প্রোগ্রামিং-এর কাজও। কিন্তু আবার বাদ সাধে ২০০০ সালের মন্দা আর পরবর্তীকালের ৯/১১ হামলা।</p>
<p>আর এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে আছে চাকরির বাজার। আমাদের এখানে মোটামুটি ভাল সব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শেষ বর্ষে ক্যাম্পাসেই চাকরির ইন্টারভিউ হয়। কোম্পানীগুলো &#8220;ফ্রেশার&#8221; ছাত্রদের চাকরির অফার দিয়ে যায়। পরে পাশ করে বেরোলে ছাত্ররা সেই কোম্পানীতে সুবিধামত যোগ দেয়। ২০০০ সালে চাকরির বাজার এত ভাল গিয়েছিল যে আমাদের কলেজে খুব তাড়াতাড়িই কম্পিউটার সায়েন্সের সবার চাকরি হয়ে গেছিল, তারপরে অন্য বিভাগের ছেলেরাও সফটওয়ারের চাকরি পাচ্ছিল (ক্যাম্পাসে একজন একটার বেশী চাকরি পেতে পারে না, দ্বিতীয় চাকরি বাইরে থেকে পেতে হয়)। আমাদের ২০০১ সালে আমরা আরো তাড়াতাড়ি চাকরি পেয়ে গেলাম &#8211; মাসে ১০-১২ হাজার থেকে শুরু করে ৩০-৩৫ হাজার পর্যন্ত মাইনে। কিন্তু বেরোতে না বেরোতে চাকরি বাজার থেকে উধাও &#8211; যারা অফার করে গেছে তাদের আর পাত্তা নেই। কেউ বলে নিতে পারবনা, কেউ বলে পরে নেব &#8211; আপাতত জায়গা নেই। খুব হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানীতে জয়েন করতে পারল ছেলেরা। এই মন্দা কাটতে সময় লেগে গেল আরো তিন বছর।</p>
<p>তিন বছর পরে দেখা গেল ভারতীয় কোম্পানীদের সাথে পাল্লা দিয়ে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীরাও বাজারে চলে এসেছে। কারণ মন্দার বাজারে, ভারতীয় কোম্পানীদের সাথে পাল্লা দেবার জন্য সেটাই ভাল কৌশল। আর এ এমন কৌশল, যে একজন তা অবলম্বন করলে বাকিরাও তা করতে বাধ্য। তাই, দলে দলে বহুজাতিক ভারতে অফিস খুলে অফারের ঝুলি নিয়ে কলেজে আসা শুরু করল ২০০৩-০৪ নাগাদ। আই-বি-এম ফিরে এল কোলকাতায়, যেখান থেকে তাদের অনশন ধর্মঘট করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এককালে। আবার ছেলেরা চাকরি পেতে থাকল ভাল বেতনের।</p>
<p>মুশকিলটা হল, এইবারে আর এই চাকরির বুদবুদের কোনো শেষের লক্ষণ দেখছি না। বুদবুদের আকার বেড়েই চলেছে। আমি ১৯৯৭ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে ঢুকেছিলাম যখন পশ্চিমবঙ্গে সাকুল্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সংখ্যা ছিল ৬টি, যার মধ্যে একটি বেসরকারি। ছাত্র নেওয়া হত ১৮০০। আর এখন অসংখ্য ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আর সিট ২৫-৩০ হাজারের মত। কম্পুটারের ছাত্র সফটওয়ারের কাজ করবে &#8211; সে দিন আগেই চলে গেছে। নতুন ধারায় সিভিল, মেকানিকালের ছাত্রও সফটওয়ারের কাজে যোগ দেয় মাইনের লোভে। এদের চাকরির বাজার তুঙ্গে। সদ্য খোলা একেকটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্রদের প্রায় অর্ধেকই দেখি ক্যাম্পাসেই চাকরি নিয়ে বসে আছে। টিসিএস মাঝে মাঝে এক-একটা প্রোজেক্ট পাচ্ছে যাতে ৮০০০ থেকে ১০০০০ &#8220;মাথা&#8221; দরকার। তারা আসে কোথা থেকে? ক্যাম্পাসে গিয়ে ধরে আনা হয়। পিছিয়ে নেই বিজ্ঞান বা কলা-বিভাগের ছাত্ররাও &#8211; ডিপ্লোমা করে তারাও নাম লেখাচ্ছে একই দলে। বেড়ে চলেছে চাকরির মাইনে &#8211; আর সাথে সাথে মাইনে না বাড়ালে অন্য চাকরিতে চলে যাও। গাদা গাদা রিক্রুটমেন্ট এজেন্সী খালি &#8220;মাথা&#8221; ধরে এনে দেয় &#8211; মাথাপিছু তাদেরও টাকা মেলে ভালই। এই সফটওয়ারের সূত্রে গগনচুম্বী হয়ে গেছে রিয়েল এস্টেটের দাম &#8211; শুধুমাত্র যে অঞ্চলে সফটওয়ারের লোকজন থাকে সে অঞ্চলেই। সফটওয়ারের সাথে যোগ দিয়েছে বি-পি-ও, ওপারের লোকজনের সাথে ফোনে ইংরেজীতে কথা বলার চাকরি। সাধারণ ছেলেরা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেই কাঁড়ি-কাঁড়ি পকেটমানি তৈরী করে ফেলছে পার্টটাইম কাজ করে।</p>
<p>আর এর ফলে সমস্যাও কম তৈরী হচ্ছে না। একে তো নতুন ইঞ্জিনিয়ারদের গুণগত মান খারাপ থেকে আরো খারাপের দিকে নেমে চলেছে আরেকদিকে ভাল ছাত্ররা শিক্ষকতার মত মহত পেশায় আর কেউ আসছেনা। বাজার তো ফুলেই চলেছে। সাধারণ সরকারি চাকুরেরা আর প্রতিযোগিতায় না পেরে উঠে মূল্যবৃদ্ধিকে দুষছেন। আর অন্যান্য শিল্পে দক্ষ শ্রমিকের অভাব দেখা দিচ্ছে &#8211; ভাবুন তো আর্কিটেক্টরা যদি দলে দলে সফটওয়ারে যায় তবে আর্কিটেকচারের কাজ কে করবে? কদিন আগে দেখলাম লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর মত নামকরা নির্মান শিল্পের কোম্পানী দাবী জানিয়েছে যে তাদের অধিকাংশ কর্মী প্রথম দু-বছরের মধ্যে ছেড়ে চলে যাচ্ছে &#8211; তাও কিনা সফটওয়ারে।</p>
<p>কিন্তু বুদবুদ ফাটলে কি ঘটবে? ভেবেও ভয় হয়। যে হারে টাকার(রুপি) দাম ডলারের বিরুদ্ধে বেড়ে চলেছে তাতে ক&#8217;দিনের মধ্যে আমেরিকায় সফটওয়ার রপ্তানী করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান বেতনের বিল তো কোম্পানীর পকেট ফাঁকা করেই চলেছে। তাই এই গ্যাপ ভরাতে নতুন কোনো কৌশল অবলম্বন না করলে অবিলম্বে এই বুদবুদ তো সশব্দে ফেটে পড়বে। প্রভাবিত হবে সারা ভারতের সাথে সাথে আরো অনেক দেশও। তাহলে আমি কি নিজের চোখে দ্বিতীয় বুদবুদের পরিসমাপ্তি দেখতে পাব? (Hard Landing)নাকি কালের সাথে সাথে ধীরে ধীরে চুপসে যাবে? (Soft Landing) সেটাই এখন আমার কাছে লাখ টাকার প্রশ্ন।</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/33/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/33/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/33/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/33/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=33&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের অ্যাডমিশন টেস্ট নিয়ে আমার কিছু কথা</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:20:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বুয়েট]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8/</guid>
		<description><![CDATA[অনেকদিন ধরেই অরকুটে বিভিন্ন গ্রুপে বিভিন্নজনের প্রোফাইল দেখে আমার ধারণা হয়েছিল যে বাংলাদেশ বুয়েটে অন্তত অর্ধেক ছাত্রই আসে নটরডাম কলেজ থেকে। আরো কিছু সার্চের পরে, আজকেই একটা ফোরামে পড়তে গিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের অগ্রণী প্রতিষ্ঠান বুয়েটে প্রবেশিকা পরীক্ষায় সুযোগ পাওয়া প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ ছাত্রই নটরডাম কলেজের। একই রকমের মেয়েদের যে ক’টি প্রোফাইল দেখা যায় বুয়েটের, তারাও [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=32&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>অনেকদিন ধরেই অরকুটে বিভিন্ন গ্রুপে বিভিন্নজনের প্রোফাইল দেখে আমার ধারণা হয়েছিল যে বাংলাদেশ বুয়েটে অন্তত অর্ধেক ছাত্রই আসে নটরডাম কলেজ থেকে। আরো কিছু সার্চের পরে, আজকেই একটা ফোরামে পড়তে গিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের অগ্রণী প্রতিষ্ঠান বুয়েটে প্রবেশিকা পরীক্ষায় সুযোগ পাওয়া প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ ছাত্রই নটরডাম কলেজের। একই রকমের মেয়েদের যে ক’টি প্রোফাইল দেখা যায় বুয়েটের, তারাও অধিকাংশই ভিকারুন্নিসা স্কুলের। বাংলাদেশের এই দুটো স্কুল যথেষ্ট নামকরা, কিন্তু যে হারে এরা ডমিনেট করে পরবর্তী কেরিয়ার – সেটা দেখে আমি বিস্মিত।</p>
<p>এখানে (পশ্চিমবঙ্গে), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী সাধারণত ভাল স্কুলেই সবাই পড়তে চায়। গ্রামের ছাত্ররা মূলত নিকটবর্তী শহরের স্কুলে গিয়েই পড়াশোনা করে। এর সাথে সমান্তরালে আছে ইংরেজী মাধ্যম স্কুল। ইংরেজী মাধ্যম স্কুল আবার দুরকম, একদল পড়ে রাজ্যের সিলেবাসে ও আমাদের মতই প্লাস টু হিসাবে উচ্চমাধ্যমিক দেয় প্রথম ভাষা হিসাবে ইংরেজী নিয়ে। আর আরেকদল সরাসরি জাতীয় সিলেবাসে পরীক্ষা দেয়। উচ্চমাধ্যমিকের সাথে সাথেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স (এই পরীক্ষার মাধ্যমে সব ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডাক্তারী কলেজে প্রবেশ করে) পরীক্ষার র‌্যাঙ্ক অনুসারে ডাক্তারী বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে সবাই সুযোগ পায়। একই সাথে অনুষ্ঠিত হয় আই-আই-টি প্রবেশিকা পরীক্ষা, আর জাতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা। আবার এক রাজ্যের ছেলে অন্য রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও বসতে পারে – যেমন অন্ধ্রের ৮২ হাজার ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সিট অনেকটাই আসে বাইরের রাজ্যের থেকেই।</p>
<p>কিন্তু এখানে কয়েকটা স্কুলের এতটা আধিপত্য নেই। যেমন ধরুন আমি পড়েছি শিবপুর বি-ই কলেজ থেকে (মোটামুটি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয়)। কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে আমরা ৩২ জন পড়তাম। শুধুমাত্র দুটো স্কুলের দুজন করে ছাত্র ছিল, বাকি সবাই যার যার স্কুলের একমাত্র প্রতিনিধি। সবাই আসে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অংশ থেকে – বিভিন্ন স্কুল থেকে। শহরের স্কুলের আধিপত্য থাকলেও গ্রামের স্কুলের থেকে আসা ছাত্রও কম নয়। যেমন দুর্গাপুর, মেদিনীপুর বা শিলিগুড়ির ছাত্র সংখ্যায় যথেষ্ট বেশীই থাকত। গোটা কলেজে আমাদের একই ব্যাচের চারশ ছাত্রের মধ্যে কোনো স্কুলের কুড়ি-ত্রিশজনের বেশী পাওয়া দুষ্কর বলে আমার ধারণা। সবথেকে বেশী ছাত্র আসে কোলকাতা সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুল থেকে – তাও ব্যাচের ১০ শতাংশেরও কম।</p>
<p>এবার আমার প্রশ্নে আসা যাক। একই স্কুল থেকে এত ছাত্র আসছে কি ভাবে? ধরে নেওয়া যাক সব ভাল ছাত্রই নটরডামে ভর্তি হয়। কিন্তু তার মানে কি এই নয় যে বাকি মফস্বলের কলেজগুলোয় কেউ পড়াশোনা করতে উতসাহী নয় নাকি তাতে ভাল পড়াশোনা হয় না। আমাদের এখানের মত আশা করি বাংলাদেশেও প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রাইভেট টিউশন আর ব্যক্তিগত প্রস্তুতি-নির্ভর। সেক্ষেত্রে, কলেজ কি ভাবে এতটা পার্থক্য তৈরী করতে পারে? আর সরকার কি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে একই স্কুলের এতটা আধিপত্য খর্ব করার জন্য?</p>
<p>এখানে একটা সময় পর্যন্ত কলকাতার ছাত্ররাই আধিপত্য বজায় রেখেছিল। কিন্তু আশির দশকে সরকারি হস্তক্ষেপে কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই চাকা ঘুরিয়ে দেওয়া। গবেষণা করে দেখা গেল গ্রামের দিকে ইংরেজী আর অংকেই ছাত্র-ছাত্রীরা বেশী কাঁচা। তাদের সুবিধার্থে সিলেবাসে ওই দুটি সাবজেক্ট সোজা করে দেওয়া হল – যাতে সবার পড়াশোনায় কিছুটা হলেও আগ্রহ থাকে। এর ফলে পাশের হার বাড়তে থাকে আর আস্তে আস্তে উতসাহ পেয়ে কিছুটা গ্রামের পাশের হার বাড়তে থাকে। অপরদিকে শিক্ষার মান পড়ে যায়, আগের মাধ্যমিক পাশ আর পরের মাধ্যমিক পাশের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত দেখা দেয়। নব্বই-দশকের শেষের দিকে জয়েন্ট-এন্ট্রান্সেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করে গ্রামের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু মনে করা হয় সর্বভারতীয় পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের স্থান ক্রমাগতই পিছিয়ে গেছে। প্রথম দশে এখন একজনও আসে না সবসময়।</p>
<p>আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন হল মফস্বলের ছাত্ররা তাহলে কি ভাবে নটরডামে আসে? আমার তো অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ঢাকার ছাত্ররা এতে অনেকটা সুবিধা পেয়ে যায়, কারণ তারা হোমগ্রাউন্ডে বসে পড়াশোনার সুবিধা পায় বেশীদূর পর্যন্ত। তাছাড়া, মফস্বলের ছাত্ররা শুনলাম ঢাকায় আসে প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতির কোচিং-এর জন্য। সেটাও তো সমস্যার বিষয়। এ নিয়ে সরকারের কোনো প্ল্যান আছে কি?</p>
<p>আমার ব্যক্তিগত ধারণায় বাংলাদেশের পড়াশোনা এখনো ঢাকা-নির্ভর। এখনো স্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারই ডমিনেট করে আর কয়েকটা নামী-দামী স্কুলেই ভাল ফলাফল করে। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে কিন্তু সংখ্যায় বড় কম বলেই মনে হচ্ছে। আমি এই বিষয়ে পুরো জানিনা, তাই পাঠকেরা আলোকপাত করলে খুশী হব। আর প্লিজ কেউ মাইন্ড খাবেন না।</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/32/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/32/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/32/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/32/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=32&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>ঘনিষ্ঠতা ও স্বার্থপর জিন</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:20:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[জিন]]></category>
		<category><![CDATA[ডকিন্স]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8/</guid>
		<description><![CDATA[আগের পর্ব আরো জটিল কিছু উদাহরণের মাঝে ডুব দেওয়ার আগে চট করে একটা তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা সেরে ফেলা যাক। জিন তো হল জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রক &#8211; একেকটি জিন একএকভাবে জীবের প্রকৃতি ও আচরণে প্রভাব আনে। কিন্তু, এই যে লেখার শিরোনামে “স্বার্থপর জিন” বলে একটা খটমটে তত্ত্বের নাম দেখা যাচ্ছে, সেটার মানে কি? সহজ করে বললে, [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=31&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a target="_blank" href="http://www.sachalayatan.com/diganta/10687" class="bb-url">আগের পর্ব</a></p>
<p>আরো জটিল কিছু উদাহরণের মাঝে ডুব দেওয়ার আগে চট করে একটা তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা সেরে ফেলা যাক। জিন তো হল জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রক &#8211; একেকটি জিন একএকভাবে জীবের প্রকৃতি ও আচরণে প্রভাব আনে। কিন্তু, এই যে লেখার শিরোনামে “স্বার্থপর জিন” বলে একটা খটমটে তত্ত্বের নাম দেখা যাচ্ছে, সেটার মানে কি? সহজ করে বললে, যে জিন জীবগোষ্ঠীর মধ্যে নিজের উপস্থিতি বাড়িয়ে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট, তাকেই বলা যায় “স্বার্থপর জিন”। রিচার্ড ডকিন্সের তত্ত্ব অনুসারে, যে জিন যত “স্বার্থপর” হবে &#8211; মানে নিজের উপস্থিতি বৃদ্ধিতে যত সচেষ্ট হবে, সেই জিনই জীবজগতে বেশী করে স্থান করে নেবে। কিন্তু জিনের তো নিজস্ব কোনো সচেতনতা নেই, তাহলে সে কিভাবে স্বার্থপর হতে পারে? সমাধানটাও সহজ। যে জিনের প্রভাবে জীব নিজের জিন বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হবে, সেই জিনই নির্বাচিত হবে &#8211; যেন, জিন চালকের আসনে বসে জীবকে নিয়ন্ত্রণ করে এমনভাবে চালাচ্ছে, যাতে সে জিনের আরো “কপি” তৈরীতে সাহায্য করে &#8211; নিজের “স্বার্থে” জীবকে চালনা করছে। “কপি” করার এক পদ্ধতি তো প্রজনন, কিন্তু আরো এক ভাবে জিনের স্বার্থপরতা প্রকাশ পায়। অন্য যে জীবের শরীরে একই জিন উপস্থিত আছে, জীবকে তার প্রতি পক্ষপাতিত্বে প্রলুব্ধ করে। কিন্তু কিভাবে জানা সম্ভব কার দেহে কিসের জিন আছে? প্রকৃতিতে একটাই উপায় আছে এটা অনুমান করার &#8211; আত্মীয়তা। একদল নিকটাত্মীয়কে বাঁচানোর জন্য যদি কোনো জীব প্রাণ বিসর্জন দেয়, তাহলে তা হবে কোনো এক এরকম “স্বার্থপর জিন”-এর “প্ররোচনা” বা প্রভাবে &#8211; কারণ জীব নিজে মরে গেলেও তার জিনের “কপি” কিন্তু তার নিকটাত্মীয়দের দেহে সুরক্ষিত থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশী। বিবর্তনের দৃষ্টিতে দেখলে, যে জিন জীবকে নিকটাত্মীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ করে তোলে বা তাকে নিকটাত্মীয়দের জন্য প্রাণ অবধি দিতে প্ররোচিত করে, সেই জিনের নির্বাচিত হবার সম্ভাবনা বেশী &#8211; কারণ, জীবগোষ্ঠীতে এই জিনের “কপি” বেড়েই চলবে। ক্রমে, জীবের বৈশিষ্ট্য হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই ঘনিষ্ঠতা &#8211; জীবজগতে এর ব্যতিক্রম মেলা দুস্কর। এই একই কারণে জীবের বাবা-মায়ের পক্ষপাতিত্ত্ব পেয়ে বড় হয়। বিজ্ঞানী ফিশার, হ্যালডেন আর সর্বোপরি হ্যামিল্টনের প্রতিষ্ঠিত এই তত্ত্বই জনসমক্ষে এনেছেন রিচার্ড ডকিন্স তার “সেলফিশ জিন” বইতে।</p>
<p>হ্যামিল্টন আরো এক ধাপ এগিয়ে গাণিতিকভাবে হিসাব করার চেষ্টা করেছেন ঠিক কতটা নিকট আত্মীয় হলে তার জন্য জীব প্রাণ দিতেও প্রস্তুত থাকে। তার বক্তব্য হল &#8211; এক জীব অপর এক জীবের সাথে যতটা জিন শেয়ার করে, ততটাই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু বাস্তবে কেউ জানে না কে কতটা জিন শেয়ার করে, তাই জীব শেয়ার করার সম্ভাবনার ওপর দিয়ে “হিসাব” করে। এই হিসাব মত, সন্তান বাবা-মায়ের ৫০% জিন শেয়ার করার সম্ভাবনা রাখে, তাই সন্তানের সাথে ঘনিষ্ঠতা ৫০% বলা যায়। একই ভাবে সন্তানদের নিজেদের মধ্যে জিন শেয়ার করার সম্ভাবনাও ৫০% &#8211; তাই তাদের মধ্যেও ঘনিষ্ঠতা সমান। কিন্তু তুতো ভাই-বোনেদের সাথে জিন শেয়ার করার সম্ভাবনা ১২.৫%, তাই এদের ঘনিষ্ঠতাও তুলনায় কম (চিত্র দ্রষ্টব্য)<img align="left" width="200" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/fig2.gif" style="margin-right:16px;" class="bb-image" />। এই ঘনিষ্ঠতার কারণটা খুবই সহজাত। স্বার্থপর জিন জীবকে বিবর্তনে এমন পথে নিয়ে চলে যাতে তার জিন-বিস্তারে সে উদ্যোগী হয়। যার সাথে সে বেশী জিন শেয়ার করবে, তার জিন-বিস্তার একরকম তার নিজের জিন-বিস্তারের সমতুল্য &#8211; যত ঘনিষ্ঠতা বাড়বে, তত বাড়বে নিজের জিন বিস্তারের সম্ভাবনা। এখন এ থেকে সহজেই অনুমেয় কিভাবে জীব তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত হয় &#8211; নিজে মরে গেলেও তার জিন-বিস্তারের সম্ভাবনা মরে না। তাই এই পরোপকারী জিন বিস্তৃত হয় &#8211; জীবসমাজে স্থান করে নেয়।</p>
<p>এবার অনেকেই প্রশ্ন করবেন কেন অপত্যের তুলনায় বাবা-মায়ের আত্মবিসর্জন দেবার প্রবণতা বেশী দেখা যায় জীবজগতে? কারণ ব্যাখ্যা করা যায় অন্য দৃষ্ঠিভঙ্গী থেকে। অপত্য জীবের বয়স কম বলে তার জিন সঞ্চারের সম্ভাবনাও বেশী বাবা-মায়ের তুলনায়। তাই অপত্যস্নেহের জিন ভারসাম্য রেখে জীবসমাজে স্থান পেয়ে গেছে। উদাহরণ হিসাবে ধরা যায় যে মনে করা যাক এক বাবার মধ্যে এই অপত্য-স্নেহের জিন আছে। তার চার বাচ্চাকে বাঁচাতে গিয়ে সে মারা গেল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই অপত্য-স্নেহের জিন তাদের বংশবিস্তারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে, আর বাড়িয়ে তোলে জিনপুলে নিজের অস্ত্বিত্ত্ব। তাই এই অপত্য-স্নেহের জিন আসলে একটি স্বার্থপর জিন &#8211; জিনপুলে নিজের সংখ্যা বাড়াতে সদা-&#8221;সচেতন&#8221;। অন্যদিকে, স্বার্থপর জিন মোটেও জীবকে স্বার্থপর করে তোলে না, বরং ঘনিষ্ঠদের ক্ষেত্রে পরোপকারী করে তোলে।</p>
<p><br class="clear" /></p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/31/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/31/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/31/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/31/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=31&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%98%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://www.sachalayatan.com/files/images/fig2.gif" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>নিজভূমে পরবাসী</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:19:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80/</guid>
		<description><![CDATA[আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। এবার এই দিন সোমবারে পড়েছে বলে এখানে মিছিল-মিটিং-ধিক্কারের সংখ্যা কম। তাও শুনলাম কাশ্মীরে আর কোলকাতায় কোনো কোনো জায়গায় কিছু বিচ্ছিন্ন সভা আয়োজন হচ্ছে। লোকে এখন আজকাল এতোটাই কেরিয়ার-সচেতন যে অফিস কামাই করে দুটো মিটিং-এ যোগ দেবার সদিচ্ছা কারো নেই &#8211; তাও যদি ইস্যুটা হয় &#8220;অন্যের মানবাধিকার&#8221;। সবাই নিজের নিজের ইস্যুতে সিদ্ধহস্ত, [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=30&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img align="left" width="200" src="http://sachalayatan.com/files/images/DSC02522.JPG" style="margin-right:16px;" class="bb-image" /><br />
আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। এবার এই দিন সোমবারে পড়েছে বলে এখানে মিছিল-মিটিং-ধিক্কারের সংখ্যা কম। তাও শুনলাম কাশ্মীরে আর কোলকাতায় কোনো কোনো জায়গায় কিছু বিচ্ছিন্ন সভা আয়োজন হচ্ছে। লোকে এখন আজকাল এতোটাই কেরিয়ার-সচেতন যে অফিস কামাই করে দুটো মিটিং-এ যোগ দেবার সদিচ্ছা কারো নেই &#8211; তাও যদি ইস্যুটা হয় &#8220;অন্যের মানবাধিকার&#8221;। সবাই নিজের নিজের ইস্যুতে সিদ্ধহস্ত, নিজের অধিকার সচেতন, কিন্তু অন্যের অধিকারের বিষয়ে গা নেই। স্বভাবতই এখানে মানবাধিকার দিবস অলিখিত হিসাবে সরে চলে এসেছে রবিবারে। তাই কাল ভাবলাম এদিকে ওদিকে একটু ঢুঁ মেরে দেখেই আসি কোথায় কি চলছে।</p>
<p>আমাদের সাথে কাজ করে রাহুল রাজদান বলে এক কাশ্মীরী (নামে কাশ্মীরী &#8211; নিজেকে ইউরোপিয়ান বলে দাবি জানিয়ে পার পেয়ে যেতে পারে যেকোনো জায়গায়)। যাহোক তিনি আমাদের আগেই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তাদের মৌন মিছিলে যোগদান করার জন্য। অনেক খুঁজে পেতে গিয়ে হাজির হলাম তাদের সংস্থা রূটস ইন কাশ্মীরের (<a target="_blank" href="http://www.rootsinkashmir.org/" class="bb-url">RIK</a>) মিটিং-এ। একটা বড় রাস্তার পাশে ১০-১২ জন ছেলে-মেয়ে কিছু প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কপালে লাল ফেট্টি বাঁধা – লেখা “RIK”।<img align="left" width="200" src="http://www.sachalayatan.com/files/images/DSC02531_0.JPG" style="margin-right:16px;" class="bb-image" /> রাহুল সহ আর কয়েকজন পাশে ল্যাপটপে পাওয়ার-পয়েন্ট প্রেসেন্টেশন দিয়ে চলেছে &#8211; কাশ্মীরে পণ্ডিতদের ওপর কিরকম কি অত্যাচার হয়েছে। একের পর এক স্তুপীকৃত লাশের বা ভাঙা দালানের ছবি আর পাশে স্থান-কাল। আমরা যেতে খুব খুশী হল আর অনেকবার ধরে ধন্যবাদ জানালো। সাথে দিল কয়েকটা প্যামফ্লেট &#8211; যাতে অসংখ্য রেফারেন্স দিয়ে বোঝানো আছে কি সমস্যা তাদের &#8211; কিভাবে সরকার আর জঙ্গীদের মাঝে &#8220;স্যান্ডুইচ&#8221; হয়ে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ছে দিনে দিনে। প্রতিবছর এই কয়েকজন পণ্ডিত মিলে হায়দ্রাবাদে রোড শো করে আর মোমবাতি জ্বালিয়ে সবাইকে জানান দিয় যান &#8211; যে তারা হায়দ্রাবাদে থাকলেও তারা আসলে কাশ্মীরী।</p>
<p><a target="_blank" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kashmiri_Pandits" class="bb-url">কাশ্মীরে পণ্ডিতেরা</a> হল আদি কাশ্মীরী &#8211; কয়েক হাজার বছর ধরে কাশ্মীর উপত্যকার স্থায়ী বাসিন্দা। আগে বেশ কয়েক দফায় এই সম্প্রদায়ের লোকজন কাশ্মীর থেকে পাতাতাড়ি গুটিয়ে ভারতে বিভিন্ন জায়গায় বাসা বেঁধেছে। এখন এরা তাই সংখ্যায় খুবই কম &#8211; মাত্র পাঁচ কি ছয় লাখ হবে। ভোটের দেশে চিরকালের মত এখানেও সংখ্যালঘুদের পাত্তা এমনিতেও কম – তার ওপর যদি জায়গাটা হয় কাশ্মীরের মত “Disputed”। ১৯৮৯ সালে যখন প্রথম কাশ্মীরে সংঘর্ষ শুরু হল, তখন প্রথম আক্রান্ত হয় এই পণ্ডিতেরাই। ভারত সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে এদের প্রক্সি দাঁড় করিয়ে শুরু হয় জঙ্গীদের অত্যাচার। মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা শুরু হয় পণ্ডিতদের ঘরছাড়া করার আদেশ। শুরু হয় যাকে বলা হয় এথনিক ক্লিনসিং &#8211; বছরের পর বছর সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করে দেবার যে খেলা চলে এসেছে তারই আরো এক দফা। একের পর এক পণ্ডিতকে দলে দলে মারা শুরু হয় &#8211; কোথাও গলায় দড়ি দিয়ে, কোথাও গুলি করে, কখনো হাত-পা কেটে আর কখনও বা জ্যান্ত পুড়িয়ে। এসব লোমহর্ষক কাহিনী এখন আমাদের কাছে পুরোনো হয়ে গেছে &#8211; স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছে শুধু উদ্বাস্তু পণ্ডিতেরা যারা কোনোরকমে পালিয়ে বেঁচে আছে জম্মু আর দিল্লীর কিছু রিফিউজি ক্যাম্পে। সংখ্যার খাতিরে বলে রাখা ভাল &#8211; ১৯৮৯ সালের পরে কাশ্মীরে হামলায় মৃত ৭০ হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় ১২ হাজার হলেন সম্প্রদায়ভুক্ত (অত্যাচার করে মারার ঘটনা প্রায় ১,১০০র মত) আর রিফিউজি-র সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ লাখের মধ্যে (সরকারি ভাবে যদিও সংখ্যাটা এক-দেড় লাখের বেশী নয়)। আক্রান্ত প্রায় একশো মন্দিরের মধ্যে অনেকগুলোই এখন পরিত্যক্ত। জংগীদের ঠেলায় কাশ্মীর উপত্যকার শতকরা নব্বই থেকে পচানব্বই ভাগই এখন থাকেন জম্মু আর দিল্লীর ক্যাম্পে &#8211; ত্রিপলের তাঁবুতে।</p>
<p>আরো মজার কথা, যারা ছিলেন এই গণহত্যার দায়িত্বে, তাদের মধ্যে অনেকেই ব্যক্তিগত সাক্ষাতকারে স্বীকার করেছেন গণহত্যার কথা। যেমন ধরা যাক ইয়াসিন মালিক বা<br />
&#8220;বিট্টা কারাটে&#8221;র (ফারুক আহমেদ দার) কথা। এরা গণহত্যার পরে এখন হিরো হয়ে বেঁচে আছেন। কাল &#8220;বিট্টা কারাটে&#8221;র <a target="_blank" href="http://www.youtube.com/watch?v=qgbDESuBXTk" class="bb-url">ইন্টারভিউ</a> দেখলাম ইউটিউবে। শান্ত গলায় সে দাবী জানাল সে বিশ জনকে মেরেছে &#8211; আর তার জন্য সে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ফাঁসির সাজা আশা করছে (২০০৬ সালে ছাড়া পেয়েছে ফারুক, এখনো কাশ্মীরে আছে)। বিবিসির সাথে <a target="_blank" href="http://news.bbc.co.uk/olmedia/cta/progs/01/hardtalk/malik17jul.ram" class="bb-url">ইন্টারভিউতে</a> একইভাবে গণহত্যার কথা স্বীকার করেছেন ইয়াসিন মালিকও। কিন্তু এদের বিচারের ব্যবস্থা নেই &#8211; যেমন নেই গুজরাটে দাঙ্গাকারীদেরও।</p>
<p>কালরাতে বাড়ি ফিরে আরো একটু ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করে মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল। কাশ্মীরী পণ্ডিতেরা <a target="_blank" href="http://www.internal-displacement.org/" class="bb-url">ভারতের &#8211; নিজভূমে পরবাসী’দের </a>(Internally Displaced People) মাত্র অর্ধেক। বাকি অর্ধেকের মধ্যে আছে আসামের সাঁওতালরা &#8211; যাদের এককালে আসামে এনেছিল ব্রিটিশেরা &#8211; চা বাগানে কাজ করানোর জন্য। আছে গুজরাটি দাঙ্গাপীড়িতরা, মিজোরামের উপজাতিরা &#8211; যারা আশ্রয় নিয়েছে ত্রিপুরাতে আর মাওবাদী হামলায় ঘরছাড়া গ্রামবাসীরা। এর সাথে শুরু হচ্ছে কর্পোরেট ডিসপ্লেসমেন্ট &#8211; মানে শিল্পের জন্য জমি নিতে গিয়ে উচ্ছেদ। কম করেও ছয় লাখ লোক আছেন এই &#8220;নিজভূমে পরবাসী&#8221;দের দলে। দিন যাচ্ছে, কারোর দেশে ফেরার কোনও আশা দেখা যাচ্ছে না &#8211; সরকার পুনর্বাসনের জন্য “কথাবার্তা” চালাচ্ছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, আদিম মানুষেরা নিজের জায়গায় থাকার অধিকারটা অন্তত নিশ্চিত করেছিল। আমরা অনেক এগিয়ে গিয়ে কি সেই পুরোনো অধিকারটাই হারিয়ে ফেলছি? তবে ওই &#8211; “অন্যের মানবাধিকার” নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কি লাভ? তাই আজ আমিও আবার পুরোপুরি কাজে ডুবে গেছি। স্বার্থপরতা জিন্দাবাদ!!</p>
<p>পুনশ্চ &#8211; অশোক পণ্ডিতের একটি তথ্যচিত্র ইউটিউবে দেখতে পারেন কাশ্মীরী পণ্ডিতদের নিয়ে &#8211; <a target="_blank" href="http://www.youtube.com/watch?v=eCRFWStxV_4" class="bb-url">প্রথম খণ্ড</a>, <a target="_blank" href="http://www.youtube.com/watch?v=u2vsztUdkpU" class="bb-url">দ্বিতীয় খণ্ড</a>।</p>
<p>বিট্টা কারাটের ইন্টারভিউ ইউটিউব থেকে তুলে দিলাম।</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/30/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/30/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/30/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/30/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=30&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
<enclosure url="http://news.bbc.co.uk/olmedia/cta/progs/01/hardtalk/malik17jul.ram" length="68" type="audio/x-pn-realaudio" />
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>

		<media:content url="http://sachalayatan.com/files/images/DSC02522.JPG" medium="image" />

		<media:content url="http://www.sachalayatan.com/files/images/DSC02531_0.JPG" medium="image" />
	</item>
		<item>
		<title>স্বার্থপর জিন ও আত্মত্যাগ</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:17:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[জিন]]></category>
		<category><![CDATA[ডকিন্স]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[শুধুমাত্র আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে থাকিলেই বিবর্তনে সুবিধা পাওয়া যায় &#8211; এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে আগের পর্বে লিখেছিলাম। আগ্রাসী জীবেদের নিজেদের মধ্যে মারামারি করার প্রবণতা তাদের বিবর্তনগত ভারসাম্যে পৌঁছতে বাধা দেয়, যার ফলে সেই “আগ্রাসী জিন” স্থায়ী হতে পারে না। এবারে লিখছি দলবদ্ধ জীবদের নিয়ে। প্রকৃতিতে এইরকম দলবদ্ধ জীবের সংখ্যাই বেশী। পাখিরা জোট বেঁধে ওড়ে, মাছ [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=29&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>শুধুমাত্র আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে থাকিলেই বিবর্তনে সুবিধা পাওয়া যায় &#8211; এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে <a target="_blank" href="http://www.sachalayatan.com/diganta/9458" class="bb-url">আগের পর্বে</a> লিখেছিলাম। আগ্রাসী জীবেদের নিজেদের মধ্যে মারামারি করার প্রবণতা তাদের বিবর্তনগত ভারসাম্যে পৌঁছতে বাধা দেয়, যার ফলে সেই “আগ্রাসী জিন” স্থায়ী হতে পারে না। এবারে লিখছি দলবদ্ধ জীবদের নিয়ে। প্রকৃতিতে এইরকম দলবদ্ধ জীবের সংখ্যাই বেশী। পাখিরা জোট বেঁধে ওড়ে, মাছ দলে দলে সাঁতার কাটে, পোকামাকড় দলবেঁধে বাসা বানায় বা হায়েনারা দল বেঁধে শিকার করে। এখানে আলোচ্য মূল প্রশ্ন হল &#8211; এই দলবদ্ধ থাকার সহজাত প্রবণতা কিভাবে স্বার্থপর জিন তত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে? প্রতিটি জীব স্বার্থপর হলে কি তাদের দল গঠিত হতে পারে না? আরো বড় কথা সেই দল বা পরিবারের জন্য সহজাত আত্মত্যাগের কি ব্যাখ্যা হতে পারে? আর একই তত্ত্ব দিয়ে জীব কিভাবে উপকারীর উপকার করতে শেখে তা নিয়েও আলোচনা করছি।</p>
<p>প্রথমেই নজর দেওয়া যায় দলবদ্ধ ভাবে থাকার স্বাভাবিক কিছু সুবিধার দিকে। একসাথে শিকার করায় হায়েনাদের শিকার পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। পেঙ্গুইনেরা নিজেদের মধ্যে জড়াজড়ি করে হাঁটে, যাতে এদের ঠান্ডা কম লাগে। একসাথে সাঁতার কাটলে সামনের মাছের তৈরী প্রবাহের মধ্যে শরীর ভাসিয়ে সাঁতার কাটাও সহজ হয়। আর V-আকৃতির জোট করে পাখিরা দূর-দূরান্তে পাড়ি দেয় একই প্রবাহ-জনিত সুবিধার কারণে। এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে হ্যামিল্টনের স্বার্থপর জোটের মডেলে কথা। ভুল বোঝার অবকাশ না রাখার জন্য বলে রাখা ভাল, এখানে স্বার্থপর জোট বলতে স্বার্থপর জীবের জোট বোঝানো হচ্ছে।</p>
<p>ডিসকভারি বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে আমরা অনেকবারই দেখেছি বাঘের হরিণ শিকার করার দৃশ্য। মোটামুটি একটা সংক্ষিপ্ত জায়গার মধ্যে হরিণ দলবেঁধে চরে বেড়ায়। বাঘ যখন আক্রমণ করে, কাছাকাছি একটা হরিণকে বেছে নিয়ে তাড়া করে ধরে ফেলে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাঘের নজর থাকে দলের প্রান্তবর্তী হরিণগুলোর দিকে, যাদের ধরতে পারলে বাঘের শক্তিক্ষয় কম হবে। আর একই কারণে, হরিণদের দল গঠনের সময়ে সব হরিণই চাইবে যত পারা যায় দলে মাঝখানে থাকতে যাতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে যায়। ঘাস খাবার সময়ে হয়ত কিছুটা বিচ্ছিন্ন হবার দরকার পড়ে, কারণ মাঝের অংশে ঘাস দ্রুত কমে যায়। কিন্তু সাধারণভাবে চলাচল করার সময় হরিণেরা (ভাল দেখা যায় ভেড়াদের মধ্যে) যথাসম্ভব গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলতে থাকে। দূর থেকে দেখে এরা দলবদ্ধ বলে মনে হলেও এর পেছনে আছে প্রত্যেকের নিজ-নিজ স্বার্থপর উদ্দেশ্য &#8211; বিপদ-এলাকা কম করা আর প্রান্ত ছেড়ে মাঝের দিকে আসার প্রবণতা। এই ধরণের জোটকেই বলা যায় স্বার্থপর জোট &#8211; যেখানে সবাই নিজের স্বার্থের জন্যই জোট বেঁধে থাকে।</p>
<p>তবে, প্রকৃতিতে জোট-গঠন ছাড়াও সহমর্মিতার আরো অনেক উদাহরণ আছে যা এই মডেল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। সবথেকে বড় সমস্যা হয় যেখানে জীব নিজের বিপদ এনেও দলকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। আপাতত সেরকম কয়েকটা উদাহরণ নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। ছোটো অনেক পাখি আছে যারা বাজ বা ঈগলের মত শিকারী পাখি দেখলেই কিচিরমিচির শব্দ করে দলের বাকি পাখিদের সতর্ক করে দেয়। এর ফলে ওই পাখিটার বিপদ কিছুটা বেড়ে যায়, কারণ শিকারী তাকে সহজেই খুঁজে পেতে পারে। সে কিন্তু ইচ্ছা করলেই বিপদ বুঝে সটকে পড়তে পারে, কিন্তু সে তা না করে নিজেকে শিকারীর নিশানায় এনেও দলকে সাহায্য করছে &#8211; এই আত্মত্যাগের ব্যাখ্যা কি হতে পারে? এই ঘটনার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের আগে একটা ব্যাপার বলে রাখা ভাল। পাখিদের এই এল্যার্ম কল নিয়ে বিশদ গবেষণা করে শব্দবিজ্ঞানী মার্লার দেখিয়েছেন এই ডাকগুলো এমনভাবে ডাকা হয় যাতে শিকারীরা কিছুতেই ডাক কোথা থেকে আসছে বুঝতে না পারে। স্বাভাবিকভাবে, কোনো এক সময়ে এই এল্যার্ম কল ঠিকঠাক না আসায় অনেক পাখি শিকার হয়েছে। তাই যাদের এল্যার্ম কল ঠিকঠাক, তারা বেঁচে থেকে বেশী বংশবৃদ্ধি করেছে। এল্যার্ম কল দেওয়ায় সুপটু করে তোলার জিনও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে স্বার্থপরের মত পাখিদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।</p>
<p>এবার আসা যাক আত্মত্যাগের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে। সাধারণভাবে দেখা যায় যে একই গোষ্ঠীতে জীবের &#8220;কিন&#8221; বা আত্মীয় থাকার সম্ভাবনা বেশী। আর আত্মীয়দের মধ্যে একই ধরনের জিন থাকার সম্ভাবনাও বেশী। তাই &#8220;কিন সিলেকশন&#8221; তত্ত্ব অনুসারে জীব নিজের স্বার্থপর জিনের &#8220;কপি&#8221; বাঁচানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুটো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে দেখা যাক এল্যার্ম কলের গুরুত্ব।</p>
<p>একধরনের পাখি আছে যারা মাটিতে চরে বেড়ায়। শিকারী আক্রমণ করলে তাদের আত্মরক্ষার সহজ উপায় হল আশেপাশের ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে পড়া। ধরা যাক এরকমই একটি পাখির দলে একটি পাখি এক শিকারীকে আগেভাগে দেখে ফেলেছে। যেকোন মুহূর্তে এরপরে শিকারী আঘাত হানবে। এখন তার কাছে দুটো পথ খোলা আছে &#8211; প্রথমটি হল নিজের মত চুপচাপ ঝোপে লুকিয়ে পড়া, আরেকটা হল সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া। এখানে ভেবে দেখলে বোঝা যায়, পাখিটা যদি একা একা ঝোপে লুকিয়েও পড়ে, শিকারী আক্রমণ করলে গোটা দলই বিপদে পড়বে। শিকারী যদি দলবেঁধে আসে, তাহলে তো কথাই নেই। অন্যদিকে, শিকারী আঘাত হানার আগেই যদি সবাই মিলে লুকিয়ে পড়া যায়, তাহলেই বেঁচে যাওয়া যাবে। এধরনের পাখিরা তাই হিস-হিস শব্দে বাকিদের সতর্ক করে দেয়।</p>
<p>আরেক ধরনের পাখির কথা আসে, যারা আক্রান্ত হলে দলবেঁধে উড়ে পালিয়ে যায়। আগেরবারের মতই ভাবা যাক যে কোনো এক শ্যেনদৃষ্টি পাখি শিকারীকে আগে থেকেই দেখে ফেলেছে। এখন সে একা উড়ে যেতে পারে। কিন্তু শ্বাপদসংকুল পৃথিবীতে একা উড়ে গেলে তার বিপদের সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়া ছাড়া কমে না। শিকারী পাখিরা সাধারণত এরকম একা-হয়ে-যাওয়া পাখিদেরই আক্রমণ করে সহজ শিকার বানিয়ে ফেলে। পড়ে যদি তার আবার দলে ফিরে আসার সম্ভাবনাও থাকে তাও সাময়িকভাবে তাকে একা হয়ে যেতে হবে। তাই এই অবস্থানে সবথেকে ভাল নীতি হল নিজেও উড়ে পালানো, আর সাথে আর সবাই যাতে পালায় সেজন্য কিচিরমিচির শব্দে তাদেরও সতর্ক করে তোলা। হ্যামিলটনের এই তত্ত্ব ঠিক হোক বা না হোক, পাখিদের মধ্যে এই আচরণ বারে বারে একই রকম ভাবে দেখা যায়।</p>
<p>বেঁচে থাকার পথে এই কৌশল খুবই দক্ষ। এই এল্যার্ম কল নিখুঁত না হবার কারণে যেমন অনেক পাখি শিকারে পরিণত হয়েছে, তেমনই এল্যার্ম কল না দেওয়ার কারণে অনেক দলও বিপদ্গ্রস্ত হয়েছে। সবে মিলে এল্যার্ম কল যারা ঠিকঠাক দিতে পেরেছে, সময়ের সাথে সাথে তাদের স্বার্থপর জিন বেশী হারে ছড়িয়ে পড়েছে। জীব নিজে স্বার্থপরের মত এল্যার্ম কল দিতে শিখেছে আর তা দেখে আমরা তাদের আত্মত্যাগের কথা ভেবে বিমোহিত হয়েছি।<br />
(চলবে)</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/29/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/29/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/29/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/29/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=29&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
		<item>
		<title>স্বার্থপর জিন ও স্থিতিশীল কৌশল</title>
		<link>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80/</link>
		<comments>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2008 20:17:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Diganta</dc:creator>
				<category><![CDATA[জিন]]></category>
		<category><![CDATA[ডকিন্স]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিবর্তন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80/</guid>
		<description><![CDATA[আগের পর্ব বিবাদী আর আগ্রাসী নীতি ছাড়াও অনেকরকম কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন স্মিথ আর প্রাইস। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রতি-আক্রমণের কৌশল। এই কৌশলে জীব প্রথমে বিবাদীর মত আচরণ করে, কিন্তু আক্রান্ত হলে প্রতি-আক্রমণও করে, বিবাদীদের মত পালিয়ে যায় না। এছাড়াও কোনো কোনো জীব শুরুতে আগ্রাসীদের মত ব্যবহার করে আক্রান্ত হলে পালিয়ে যেতে পারে – সেটাও [...]<img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=28&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a target="_blank" href="http://sachalayatan.com/diganta/9430" class="bb-url">আগের পর্ব</a></p>
<p>বিবাদী আর আগ্রাসী নীতি ছাড়াও অনেকরকম কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন স্মিথ আর প্রাইস। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রতি-আক্রমণের কৌশল। এই কৌশলে জীব প্রথমে বিবাদীর মত আচরণ করে, কিন্তু আক্রান্ত হলে প্রতি-আক্রমণও করে, বিবাদীদের মত পালিয়ে যায় না। এছাড়াও কোনো কোনো জীব শুরুতে আগ্রাসীদের মত ব্যবহার করে আক্রান্ত হলে পালিয়ে যেতে পারে – সেটাও একটা কৌশল। আর আছে শুরুতে পরীক্ষা করে যাচাই করে দেখে নেবার কৌশল। স্মিথ আর প্রাইস দেখিয়েছেন, এসবের মধ্যে প্রতি-আক্রমণের কৌশল বা টিট-ফর-ট্যাটই হল একমাত্র স্থিতিশীল কৌশল, অর্থাৎ, জীবগোষ্ঠীতে শুধু এই কৌশলই চালু থাকলে, বাকি কৌশল অবলম্বন করে জীবেরা অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করে উঠতে পারেনা। শুরুতে পরীক্ষা করে নেবার কৌশলও প্রায় স্থিতিশীল, তবে এই কৌশল অবলম্বনকারী জীবগোষ্ঠীর মধ্যেও প্রতি-আক্রমণকারীরা সামান্য সুবিধায় থাকেন। উৎসাহী পাঠকেরা নিজেরা একই পয়েন্ট সিস্টেমে হিসাব করে দেখতে পারেন কোন ক্ষেত্রে কিভাবে কারা সুবিধাপ্রাপ্ত হয়। প্রকৃতিতে এই পয়েন্ট সিস্টেমের কিছু হেরফের হলেও মূলনীতি প্রায় একই থাকে। মেরু অঞ্চলের পাখীদের ক্ষেত্রে দিনের আলো যেটুকু সময় থাকে তা শিকার না করে নিজেদের মধ্যে মারামারি করলে সময় নষ্ট করার জন্য অনেক বেশী খেসারত দিতে হবে, তাই তাদের ক্ষেত্রে সময় নষ্ট করার পেনাল্টি -১০ এর জায়গায় -৩০ ভাবা যেতে পারে। তাই সাধারণ কিছু গাণিতিক হিসাবে সমগ্র প্রকৃতির হিসাবকে মাপতে গেলে অনেক সতর্কভাবে হিসাব করতে হবে।</p>
<p>এবার আসা যাক আরো একধরণের লড়াইতে – যাকে পরিভাষায় বলা যায় “পলায়নের লড়াই”(War of attrition)। এর মানে, যতক্ষণ না একজন পলায়ন করে, ততক্ষণ এই লড়াই চলে। প্রকৃতিতে এধরণের লড়াই বহুল প্রচলিত – সাধারণত খুব সহজে কাবু হয়না এরকম প্রজাতির (যেমন গণ্ডার) মধ্যে চলে। দুটো জীব একে অন্যের দিকে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গী আর তর্জন-গর্জন করতে থাকে, যতক্ষণ না একজন ‘রণক্ষেত্র’ থেকে পালিয়ে যায়। জেতার জন্য শুধু অপরের থেকে বেশী সময় ব্যয় করতে হয়, সময়ই একমাত্র শক্তি এই যুদ্ধে। এটা অনেকটা দুজনের মধ্যে নিলাম, যেখানে সময় হল কারেন্সীর সমতুল্য। উদাহরণ দেখতে হলে আমার মনে হয় কোনো জঙ্গলে যাবার দরকার নেই, মানবসমাজে এই পলায়নের লড়াই সর্বত্র চলে, বিশেষত বিশ্বাসের প্রশ্নে। অরকুটে বা অনেক ফোরামে (সচলায়তনেও) প্রায়ই দেখা যায় দুপক্ষ নিজের নিজের মতামত একতরফা বলে চলেছে। তারা উভয়েই আলাদা আলাদা মাপকাঠি দিয়ে অপরের মত ভুল আর নিজের মত ঠিক বলে দাবী জানাচ্ছে। লড়াই চলে ততক্ষণ, যতক্ষণ না একপক্ষ ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায় বা ভাবে এই বিষয়ে আর সময় ‘নষ্ট’ করা ঠিক হবে না।</p>
<p>ধরা যাক সবাই যদি নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেয় যে তারা একেকটি বিষয়ে সর্বাধিক এতগুলো পোস্ট দেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রেও কোনো চালাক ব্যক্তি নিয়ম ভেঙ্গে আরো একটা বেশী পোস্ট দিয়ে বাজিমাত করবে (বাস্তবে থাকলেও প্রকৃতির নিয়মে পোস্টের ঊর্দ্ধসীমা নেই)। তাই এই কৌশল ধোপে টিঁকবে না। আবার যে লড়াইতে হেরে যাচ্ছে, সে যদি আগে থেকেই হিসাব করে নিতে পারে যে সে হেরে যাবে, তাহলে সে ওই বিষয়ে কোনো পোস্টই করবেনা, সময়ের অপব্যবহার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবে। সেক্ষেত্রে আবার যারা শুধু কয়েকটি পোস্ট দিয়ে বাজার ‘যাচাই’ করে নিতে চায় ক’জন তার সাথে থাকতে পারে, তারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে। কারণ তার সমমতে কয়েকটি পোস্ট আসা-মাত্রই সংখ্যালঘুরা আর বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়ে সময় নষ্ট না করার কথা ভাববে। গল্প পড়ে আবার মনে হতে পারে যে কিছুদিন পড়ে অন্যেরা এই কৌশল ধরে ফেলবে আর তারা কয়েকটা বেশী পোস্ট অবধি ধৈর্য ধরবে। আবার আমরা ঘুরেফিরে সেই গল্পের শুরুতে হাজির। তাহলে স্থিতিশীলতা আসবে কি করে? গাণিতিক বা তার্কিকভাবে দেখানো যায় যে প্রতি ব্যক্তি তার নিজের নিজের মত করে লড়াইতে তার নিজের লাভ-ক্ষতির মূল্য যা ভাবে, সেই অনুপাতেই সময় ব্যয় করবে। অরকুটে বা ফোরামে যার বিশ্বাস দৃঢ়তর (অবশ্যবিশ্বাস দৃঢ়তর বলে সেই ঠিক এমন কোনো মানে নেই), সেই জেতে – কারণ তার কাছে জেতার ‘মূল্য’ও বেশী। এটাই স্থিতিশীল কৌশল।</p>
<p>এ বিষয়ে কৌশলের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল প্রতিদ্বন্দীকে বুঝতে না দেওয়া যে সে কখন পলায়ন করতে চায়। অনেকসময়েই, ফোরাম ছেড়ে বেরিয়ে যাবার আগে একপক্ষের লেখার দৈর্ঘ্য ছোটো হতে থাকে, যুক্তির তীব্রতা কমতে থাকে &#8211; যা থেকে প্রতিদ্বন্দী বুঝে যায় যে এবার প্রতিপক্ষ হার-স্বীকার করতে চলেছে। হিসাবের থেকে সামান্য বেশী হলেও সে তখন সেই অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে লড়াইতে জেতার জন্য। তাই প্রাকৃতিক নির্বাচনের ক্ষেত্রে যাদের পলায়ন আগে থেকেই বোঝা যায়, তারা সুবিধা পায় না। শেষ অবধি যারা একইভাবে লড়াই করতে পারে, তারাই নির্বাচিত হয়, তাই এই কৌশলই স্থিতিশীল।</p>
<p>এখন অবধি যা আলোচনা হয়েছে সব ক্ষেত্রেই ধরে নেওয়া হয়েছে লড়াইতে উভয়পক্ষ সমান বা প্রায় সমমাপের। বাস্তব প্রকৃতিতে কিন্তু তার উল্টোটাও প্রচুর দেখা যায়। মেনার্ড আর প্রাইস এই তত্ত্ব অসম লড়াই-এর ক্ষেত্রেও সফলভাবে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন সেখানেও স্থিতিশীল কৌশলে পৌঁছন সম্ভব। তাদের হিসাবমত, অসাম্য প্রধানত তিনপ্রকারের –<br />
১) আকার বা গঠনগত (বাঘ বনাম হরিণ)<br />
২) যুদ্ধে প্রাপ্তি অনুসারে (তৃণভূমি নিয়ে মাংসাশী প্রাণী কেন লড়াই করবে?)<br />
৩) অবস্থান নিয়ে (‘হোম গ্রাউন্ড’ বনাম ‘অ্যাওয়ে গ্রাউন্ড’)। এর মানে হল যুযুধান দুই পক্ষের এক পক্ষ আগে থেকেই সেখানকার বাসিন্দা আর অন্যপক্ষ অনুপ্রবেশকারী।<br />
এবার দেখা যাক তৃতীয় প্রকারের অসাম্যের (হোম আর অ্যাওয়ে) সাপেক্ষে স্থিতিশীলতা কিভাবে আসতে পারে। সাধারণ হিসাবে বোঝা যায় যে “বাসিন্দা জেতে আর অনুপ্রবেশকারী পালায়” – এরকম কৌশল স্থিতিশীল। কারণ কোনো এক জীব যদি সর্বদা আক্রমণের কৌশল অবলম্বন করে, তাহলে সে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ভাল ফল করলেও বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে জড়িয়ে পড়ে অর্ধেক লড়াইতে আহত হবার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলবে। অপরদিকে, জীবগোষ্ঠীর বাকি জীবেরা কোনো লড়াইতেই যাচ্ছেনা, কেউ না কেউ পালিয়েই যাচ্ছে। তাই তারা ওই আগ্রাসী জীবের তুলনায় সুবিধাপ্রাপ্ত হবে। একই ভাবে দেখা যেতে পারে “বাসিন্দা পালায় আর অনুপ্রবেশকারী জেতে” – এটাও একটা স্থিতিশীল কৌশল – যদিও প্রকৃতিতে এর উদাহরণ খুবই কম। কারণ, সাধারণত বাসিন্দারা নিজেদের অবস্থানগত সুবিধার কারণে সেই জায়গা সম্পর্কে বেশী ভাল ধারণা রাখে, যা তাদের লড়াইতে সাহায্য করে। স্মিথের মতে, এই দ্বিতীয়টি একরকম বিভ্রান্তিকর কৌশল। কারণ, এর ফলে, বাসিন্দ বলে আর কিছু থাকে না – যে অনুপ্রবেশ করে সেই অন্যেকে একরকম তাড়িয়ে দেয়। আর প্রথমটি প্রকৃতিতে সর্বত্র দেখা যায় – যাকে বলে আঞ্চলিক আচরণ (Territotorial behaviour)।</p>
<p>এই আঞ্চলিক আচরণের একটা ভাল নিদর্শন দেখা যায় নিকো টিনবার্জেন-এর পরীক্ষায়। তিনি একটি অ্যাকোরিয়ামের দুপাশে দুটো যুদ্ধবাজ মাছ ছেড়ে দিলেন। তারা দুপাশে দুটো বাসাও বানিয়ে ফেলল এবং নিজেদের বাসার প্রতিরক্ষাও করতে থাকল। এবার উনি দুটো টেস্ট-টিউবে মাছদুটোকে আলাদা করলেন। এবার তাদের পাশাপাশি আনলেই দেখা যায় তারা কাঁচের ওপারে থাকা প্রতিদ্বন্দীর সাথে মারামারি করতে উদ্যত হচ্ছে। মজার ব্যাপার হল, যদি টেস্ট-টিউব দুটোকে যদি একজনের বাসার কাছে বসিয়ে পাশাপাশি আনা যায় তাহলে দেখা যাবে যার বাসার কাছে সে মারমুখী, আর অপরজন পালাতে ব্যস্ত। বিবর্তনের পথে “বাসিন্দা জেতে আর অনুপ্রবেশকারী পালায়” &#8211; এই স্থিতিশীল কৌশল মাছগুলো আয়ত্ত করে ফেলেছে।</p>
<p>কিন্তু মেক্সিকোর সামাজিক মাকড়সা আচরণে ভিন্ন। কোনো মাকড়সা নিজের জালে বসে আক্রান্ত হলে সে পাথরের অপরদিকে চলে যায়, অনেকসময়ে সেখানকার মাকড়সাটাকে উৎখাত করে। এভাবে চলতে থাকে যতক্ষণ না কোনো এক মাকড়সা নতুন জায়গা পেয়ে যায়। এদের আচরণ দ্বিতীয় স্থিতিশীল কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এক্ষেত্রে বিবর্তনের পথে “বাসিন্দা পালায় আর অনুপ্রবেশকারী জেতে” &#8211; এই স্থিতিশীল কৌশল মাকড়সারা নির্বাচনের মাধ্যমে আয়ত্ত করে ফেলেছে। (চলবে)</p>
<br /><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/categories/diganta.wordpress.com/28/" /> <img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/tags/diganta.wordpress.com/28/" /> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gocomments/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/comments/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godelicious/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/delicious/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gofacebook/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/facebook/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gotwitter/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/twitter/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/gostumble/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/stumble/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/godigg/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/digg/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <a rel="nofollow" href="http://feeds.wordpress.com/1.0/goreddit/diganta.wordpress.com/28/"><img alt="" border="0" src="http://feeds.wordpress.com/1.0/reddit/diganta.wordpress.com/28/" /></a> <img alt="" border="0" src="http://stats.wordpress.com/b.gif?host=diganta.wordpress.com&amp;blog=2474726&amp;post=28&amp;subd=diganta&amp;ref=&amp;feed=1" width="1" height="1" />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://diganta.wordpress.com/2008/01/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
	
		<media:content url="http://0.gravatar.com/avatar/6ec441d1c647ac8f93b88b3b4c49ad75?s=96&#38;d=identicon&#38;r=G" medium="image">
			<media:title type="html">Diganta</media:title>
		</media:content>
	</item>
	</channel>
</rss>
